দীর্ঘ ছয় মাস মহাকাশে অবস্থান করার পর পৃথিবীতে ফিরে এসেছে স্পেসএক্স-এর ড্রাগন নামের মহাকাশযানটি। গত বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে কয়েক হাজার পাউন্ড ওজনের নমুনা এবং গবেষণাগারের যন্ত্রপাতি নিয়ে ফিরে এসেছে মহাকাশযানটি। ড্রাগন ফিরে এলেও মহাকাশ স্টেশনের ব্যস্ততা কমেনি। এক্সপেডিশন ৭৪-এর নভোচারীরা এখন মার্চে উড়ানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সে সময় আরও দুটি কার্গো স্পেস শিপ তাঁদের মিশন শেষ করে পৃথিবী অভিমুখে রওনা হবে। ড্রাগনের নিয়ে আসা নমুনাগুলো বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা অদূরভবিষ্যতে চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে নতুন ধরনের কোনো চমক দেখাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
দুটি মহাকাশযান প্রতীক্ষায়
জাপানি মহাকাশযান এইচটিভি-এক্স ১: জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার পাঠানো এই যান মার্চের শুরুতে হারমোনি মডিউল থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে। রোবোটিক আর্ম কানাডার্ম-২, এটি সরাতে সাহায্য করবে। বর্তমানে নাসার নভোচারী ক্রিস উইলিয়ামস, জেসিকা মেয়ার, জ্যাক হ্যাথাওয়ে এবং ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির সোফি অ্যাডেনোট এই যানে অপ্রয়োজনীয় মালপত্র ভরার কাজ করছেন। এটি দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের ওপরে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় ভস্মীভূত হয়ে যাবে। তবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর এটি আরও কয়েক সপ্তাহ কক্ষপথে থেকে নতুন অ্যান্টেন ও সৌর কোষ প্রযুক্তি পরীক্ষা করবে এবং নিজস্ব মিশনের জন্য কিউবস্যাট মোতায়েন করবে।
নরথ্রপ গ্রামম্যানের সাইগনাস এক্সএল: জাপানি যানের বিদায়ের কয়েক দিন পরেই সাইগনাস এক্সএল মহাকাশ স্টেশন ত্যাগ করবে। বর্জ্য পদার্থে ঠাসা এই কার্গো ক্রাফট ইউনিটি মডিউল থেকে সরিয়ে কক্ষপথে ছেড়ে দেওয়া হবে। এটি দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের ওপরে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যাবে।
সূত্র: নাসা নিউজ