বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর আক্ষেপের নাম হয়ে থাকল পেনাল্টি মিস। স্পট কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়ে ভক্তদের তোপের মুখে পড়েছেন ব্রুনো গিমারেস। একই সঙ্গে সামনে উঠে আসছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নাম।
নিউজার্সিতে ম্যাচের নবম মিনিটে মাথিউস কুনিয়াকে নিজেদের ডি বক্সে ফেলে দেন নরওয়ের ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার আজের। প্রথমে খেলা চালিয়ে নিলেও পরে রিপ্লে দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। শুরুতে পেনাল্টি স্পটে বল নিয়ে দাঁড়িয়ে যেতে দেখা যায় ভিনিসিয়ুসকে। সবাই ভেবেছিলেন, রিয়াল মাদ্রিদ তারকাই বোধহয় পেনাল্টি নেবেন। কিন্তু অল্প সময়েই দৃশ্যপট বদলে যায়। পেনাল্টি নিতে আসেন গিমারেস।
ম্যাচের শুরুতেই ব্রাজিলকে এগিয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন গিমারেস। তাঁর নেওয়া শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকান নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নিল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ব্রাজিলকে। আরও একবার হেক্সা মিশনের ব্যর্থ হওয়ার আক্ষেপ নিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ করতে হলো ব্রাজিলকে।
হতাশাজনক হারের পর সংবাদ সম্মেলনে কার্লো আনেচলত্তি জানান, তাঁর সিদ্ধান্তেই পেনাল্টি নিয়েছিলেন গিমারেস। ভিনিসিয়ুসও বললেন একই কথা, ‘পেনাল্টি কে নেবে, সেটা কোচ আগে থেকেই ঠিক করে রাখেন। কোচ আজ গিমারেসকে করতে বলেছিলেন। আমার মাঝে সেরা খেলোয়াড় বা সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার অহমিকা কখনো ছিল না। সেই কারণেই ব্রুনো পেনাল্টি নিয়েছিল। সে আমার চেয়ে ভালো পেনাল্টি নেয়। তাই কোচ তাকে দিয়ে পেনাল্টি শট করিয়েছেন। আমি কখনো দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাইনি।’
কোচ চাইলে পেনাল্টি নিতেন বলে জানালেন ভিনিসিয়ুস, ‘এখন অনেকে মনে করতেই পারে যে, আমি বোধহয় পেনাল্টি নিতে চাইনি। কিন্তু আমি কখনো পালিয়ে যাইনি। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে কোচ যখন আমাকে দায়িত্ব দেন, আমি তখন পেনাল্টি শট নেই। আমি সব সময় দলের জন্য খেলি, আর সেই মুহূর্তে গিমারেসের পেনাল্টি নেওয়াটাই ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত। দুর্ভাগ্যবশত, সে গোল করতে পারেনি। ফুটবল এমনই। এই পরিস্থিতিতে আমাদের মাথা উঁচু রাখতে হবে।’