বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের অধিকাংশই আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থক। বিশ্বকাপ এলেই যেন এই দুই দলের সমর্থনে মেতে উঠেন ভক্তরা। জার্সি কেনা, পতাকা ওড়ানো থেকে শুরু করে বড় পরিসরে খেলা দেখাতেও থাকে জনপ্রিয় দুই দলের সমর্থকদের আধিক্য। উত্তর আমেরিকায় চলমান বিশ্বকাপেও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না।
কয়েক হাজার মাইল দূর থেকে প্রিয় দলের ম্যাচ দেখতে দেশের বিভিন্ন স্থানে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেছে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমর্থকেরা। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর মধ্যে অন্যতম। এর আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে ম্যাচ দেখে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরের শিরোনাম হয়েছিল আর্জেন্টিনার ভক্তরা।
পিছিয়ে নেই ব্রাজিলের সমর্থকেরাও। তারাও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছে। বাংলাদেশি সমর্থকদের উন্মাদনা নিয়ে খবর প্রকাশ করেছে ব্রাজিলের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ও’ গ্লোবো।
ও’ গ্লোবোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। তবে এই জয় শুধু ব্রাজিলেই নয়, হাজার মাইল দূরের বাংলাদেশেও তৈরি করেছে উৎসবের আবহ। ব্রাজিলের প্রতিটি গোলের সঙ্গে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন দেশটির সমর্থকেরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, ব্রাজিল গোল করার পর সমর্থকেরা বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে, গান গেয়ে এবং লাফিয়ে আনন্দ উদযাপন করছেন। রাজধানী ঢাকার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) ম্যাচটি ঘিরে ছিল বিশেষ আয়োজন। শিক্ষার্থীদের জন্য বড় পর্দায় খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল সেখানে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের বড় একটি কারণ ছিল নেইমারের প্রত্যাবর্তন। দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় পর ব্রাজিলের জার্সিতে বিশ্বকাপের মঞ্চে মাঠে নামেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। তাঁকে মাঠে নামতে দেখেই করতালি ও উল্লাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত দর্শকেরা। ম্যাচ আয়োজনকারী প্ল্যাটফর্ম ‘লাইফ ইন ডিআইইউ’ তাদের এক পোস্টে লিখেছে, ‘একটি পুরো প্রজন্ম এই মুহূর্তটির জন্য অপেক্ষা করেছে। স্বাগতম ফিরে, কিং নেইমার।’