হোম > খেলা > ফুটবল

আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে ভোগান্তিতে দর্শকেরা

ক্রীড়া ডেস্ক    

মেসিদের ম্যাচ ঘিরে মায়ামি উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ম্যাচ ঘিরে মিয়ামিতে এখন উৎসবের আমেজ। শহরের রাস্তাজুড়ে দেখা যাচ্ছে আকাশি-সাদা জার্সি, পতাকা আর সমর্থকদের উচ্ছ্বাস। তবে এই উৎসবের পাশাপাশি আয়োজকদের বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে টিকিট সংকট, আকাশছোঁয়া পুনর্বিক্রয় মূল্য এবং স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা।

প্রতিবেদনে টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, আর্জেন্টিনা সমর্থকদের অন্যতম বড় জমায়েত হওয়ার হওয়ার কথা ৮৫তম স্ট্রিট ও কলিন্স অ্যাভিনিউ এলাকায়, যা ‘লিটল বুয়েনস আইরেস’ নামে পরিচিত এই অঞ্চলের কাছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সবচেয়ে বড় সমাবেশগুলোর একটি হতে যাচ্ছে।

ম্যাচের আগে টিকিট নিয়ে ভোগান্তির বিষয়টি স্বীকার করেছেন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া। ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কনমেবল সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমরা জানি জাতীয় দলের জন্য প্রায় ৫০ হাজার মানুষ টিকিট ছাড়াই এখানে ভ্রমণ করছেন। তাই যত বেশি সম্ভব মানুষকে সহায়তা করার চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সবাই স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবেন না।’

তাপিয়া আরও জানান, আগেভাগে বিক্রি হয়ে যাওয়া কিছু টিকিট পুনরায় ছাড়ার জন্য ফিফার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে এএফএ।

বর্তমানে ফিফার অনুমোদিত পুনর্বিক্রয় প্ল্যাটফর্মে স্টেডিয়ামের বিভিন্ন সেকশনের টিকিট পাওয়া গেলেও সর্বনিম্ন মূল্য শুরু হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার থেকে। ফলে অধিকাংশ সমর্থকের জন্য তা কার্যত নাগালের বাইরে। অবশ্য বিশ্বকাপজুড়েই টিকিটের এমন চড়া দাম দেখা গেছে। প্রথম দুই ম্যাচে টিকিটের দাম ছিল প্রায় ২ হাজার ডলার। টিওয়াসি স্পোর্টসের দাবি, জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে কোচ লিওনেল স্কালোনি লিওনেল মেসিকে বদলি হিসেবে খেলানোর ঘোষণা দিলে দাম নেমে আসে প্রায় ১ হাজার ৪০০ ডলারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ফিফার পরীক্ষামূলক ডায়নামিক প্রাইসিং ব্যবস্থার ফলেই টিকিটের দাম চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তিত হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে কাতার বিশ্বকাপের ৯২৯ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় এবার প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার আয়ের আশা করছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। একই সঙ্গে প্রতিটি স্টেডিয়াম দর্শকে পূর্ণ রাখাও তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

মিয়ামিতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উপস্থিতিও নজরকাড়া। প্রথম দিকের ম্যাচগুলো দেখতে আসা প্রায় ২৫ হাজার সমর্থকের সঙ্গে এবার শুধু এই ম্যাচ উপলক্ষে নতুন করেও অনেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। চাহিদা সামাল দিতে অতিরিক্ত ফ্লাইট ও নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে এরোলিনিয়াস আর্জেন্টিনাস। এ ছাড়া সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী, শুধু ফ্লোরিডাতেই প্রায় ৫০ হাজার আর্জেন্টাইন বসবাস করেন।

তবে উৎসবের আবহের মধ্যেও নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না কর্তৃপক্ষ। ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনালে স্টেডিয়ামের বাইরে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার হার্ড রক স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সেই ম্যাচে দর্শকদের অনিয়ন্ত্রিত ভিড়ের কারণে খেলা শুরু হতে বিলম্ব হয়েছিল।

এবার আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচে স্টেডিয়ামের বাইরে প্রচলিত ‘টেইলগেটিং’—অর্থাৎ পার্কিং এলাকায় সমর্থকদের জড়ো হয়ে খাওয়া-দাওয়া বা উৎসব করার সুযোগও থাকছে না। টিকিট ছাড়া কাউকে স্টেডিয়ামের আশপাশে ভিড় করতে না দেওয়ার জন্য হার্ড রক স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত একটি নিরাপত্তা বলয় যোগ করা হয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র ভেন্যু হিসেবে এই স্টেডিয়ামেই থাকছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আয়োজকদের লক্ষ্য, নির্বিঘ্নভাবে ম্যাচ সম্পন্ন করা এবং ২০২৪ সালের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়ানো।

বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর নতুন কোচ পাচ্ছে জার্মানি

রোনালদো কি নকআউটের ‘কুফা’ কাটাতে পারবেন

নরওয়ে ম্যাচে বাড়তি ‘কঠিন পরীক্ষা’ দিতে হবে ব্রাজিলকে

বিশ্বকাপে আফ্রিকানদের ৮৬ মিনিটের ‘অভিশাপ’

হারের পরের সংবাদ সম্মেলনেই বাবার মৃত্যুসংবাদ পেলেন কঙ্গোর কোচ

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর নায়কোচিত সংবর্ধনা পেল জাপান

সুখবর পেল আর্জেন্টিনা

মেসিকে ঠেকাবে পিকো, কেপ ভার্দের ডিফেন্ডারকে নিয়ে মায়ের বাজি

মেসিকে চিঠি লিখে স্বপ্ন সত্যি হচ্ছে ৮ বছরের সেই ছেলের

স্পেনের পুরোনো হিসাব চুকানোর ম্যাচ