লিওনেল মেসির ক্যাবিনেটে কত ট্রফি রয়েছে, সেটা হয়তো তিনি নিজে কখনো গুণে শেষ করতে পারবেন না। ক্লাব ফুটবলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবলেও অনেক শিরোপা তো তিনি জিতেছেনই। ব্যক্তিগত পুরস্কারও একেবারে কম পাননি। যে বার্সেলোনায় এত কীর্তি গড়েছেন তিনি, সেই বার্সাতেই এখন কাঁপাচ্ছেন লামিনে ইয়ামাল।
জাদুকরী ফুটবলে মুগ্ধ করে চলেছেন লামিনে ইয়ামাল। প্রতিপক্ষকে বোকা বানিয়ে গোলের পাশাপাশি করছেন একের পর এক অ্যাসিস্ট। পুরস্কারের ভাণ্ডারেও সমৃদ্ধ করছেন তাঁর ক্যাবিনেট। ২০২৫ সালে লরিয়াস ব্রেকথ্রু অব দ্য ইয়ার পুরস্কার, কেপা ট্রফির পর এবার তিনি লরিয়াসের বর্ষসেরা তরুণ ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন তিনি।
মাদ্রিদে গতকাল সন্ধ্যায় লরিয়াসের ২০২৬ সালের সেরা তরুণ ফুটবলারের পুরস্কার ইয়ামাল গ্রহণ করেছেন ব্রাজিল কিংবদন্তি কাফুর কাছ থেকে। পুরস্কারের রাতে ইয়ামাল স্মরণ করেছেন মেসিকে। স্প্যানিশ তরুণ ফুটবলার বলেন, ‘যখন আপনি বুঝতে পারেন যে একজন ক্রীড়াবিদ শুধু তাঁর নিজের খেলাতেই নয়, অন্য সব ক্ষেত্রেও কিংবদন্তি। তখনই বোঝা যায়, তিনি সেরাদের সেরা। লিওনেল মেসি তার উজ্জ্বল উদাহরণ। তিনি ইতিহাসের সেরা ফুটবলার এবং সেরা ক্রীড়াবিদও। আমার কাছে তিনি শুধু আরেকজন আইডল নন। তিনি যা কিছু করেছেন, তার জন্য সবাই তাকে সম্মান করে। আমি আশা করি, আমি তার পথ অনুসরণ করতে পারব।’
একের পর এক পুরস্কার জয়ে গর্ব অনুভব করছেন ইয়ামাল। ২০২৬ লরিয়াসের তরুণ ফুটবলারের পুরস্কার গ্রহণের রাতে মা-বাবাসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো সেরা তরুণ ক্রীড়াবিদের পুরস্কার পেয়ে খুবই আনন্দিত। এটা আমার জন্য গর্বের বিষয়। মা, বাবা, আমার দল, একাডেমিসহ সেসব কিংবদন্তিদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন।’
বার্সেলোনার হয়ে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে টানা দুইবার স্প্যানিশ সুপারকাপের শিরোপা জিতেছেন ইয়ামাল। তবে এবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে না পারায় ট্রেবল জেতা হচ্ছে না। তাঁর দল এবার চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে। আর ৩১ ম্যাচে ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগায় এক হাত দিয়ে রেখেছে বার্সেলোনা। দুইয়ে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ ৩১ ম্যাচে পেয়েছে ৭০ পয়েন্ট। এবারের লা লিগায় ২৭ ম্যাচে ১৫ গোল করেছেন ও অ্যাসিস্ট করেছেন ১২ গোলে।