শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় এএইকে এথেন্সকে ৩-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে আরেকটি স্মরণীয় জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ নিজেদের করে নেওয়ার সামর্থ্যে গর্বিত কোচ জোসে মরিনিও। তাঁর বিশ্বাস, এমন পরিস্থিতিতে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার সাহস ও আত্মবিশ্বাস কেবল রিয়ালেরই আছে।
এথেন্সের মাঠে দুইবার পিছিয়ে পড়েও সমতায় থেকে নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ করে রিয়াল। অবশেষে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ফেদে ভালভার্দের গোলে জয় নিশ্চিত করে সফরকারীরা। এমন জয়ের পর খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তার প্রশংসা করেছেন মরিনিও।
সংবাদ সম্মেলনে মরিনিও বলেন, ‘আমরা প্রথম ম্যাচটিও শেষ মিনিটে জিতেছিলাম। অবশ্যই আমি আরও স্বস্তিতে ম্যাচ জিততে পছন্দ করি। তবে শেষ মুহূর্তের এমন ম্যাচগুলো কেবল আমরাই জিততে পারি। আমরা এসব পরিস্থিতি সামলানোর জন্য নিজেদের সঠিক জায়গায় রাখি। আর সেটা করতে পারি, কারণ আমরা সবাই বিশ্বাস করি, আমাদের পক্ষে জয় পাওয়া সম্ভব। খেলোয়াড়দের সাহস আছে।’
ইয়ান দিয়োমান্দেকে ডান প্রান্তে খেলানোর পেছনে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কোনো ভূমিকা নেই বলে জানালেন মরিনিও। তাঁর মতে, দুই প্রান্তেই খেলার সামর্থ্য নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদে এসেছেন দিয়োমান্দে।
মরিনিও বলেন, ‘ভিনিসিয়ুস কোনো কিছু ঘটায়নি। দিয়োমান্দে রিয়াল মাদ্রিদে এসেছে দুই প্রান্তেই খেলতে পারার জন্য, শুধু একটি প্রান্তে নয়। সে যে প্রান্তেই খেলুক, তার কোনো পার্থক্য হয় না। এতে তার কিছুই পরিবর্তন হয় না।’
ভিনিসিয়ুসের ক্ষেত্রে ডান হাত বেশি ব্যবহার করতে হবে, নাকি বাঁ হাত, এমন প্রশ্নে মজার ছলে উত্তর দেন মরিনিও। রিয়াল কোচ বলেন, ‘কোনটা ভালো হাত আর কোনটা খারাপ? ডান হাতটাই কি ভালো? আমি বলব, ৮০ শতাংশ ডান হাত আর ২০ শতাংশ বাঁ হাত।’
রেসিং সান্তান্দারের বিপক্ষে লিগ ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পের আদায় করা পেনাল্টি নিয়েও কথা বলেছেন মরিনিও। স্প্যানিশ রেফারিদের অনুষ্ঠান তিয়েম্পো দে রেভিসিওন ওই পেনাল্টি দেওয়া উচিত হয়নি বলে স্বীকার করার পর বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হয় তাঁকে।
মরিনিওর মতে, ওই সিদ্ধান্ত ম্যাচের ফলাফলে কোনো প্রভাব ফেলেনি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, পয়েন্টের হিসাবে এই সিদ্ধান্তের কোনো প্রভাব নেই। এমন একটি ম্যাচ, যেখানে এই পেনাল্টি না পেলেও আমরা তিন, চার কিংবা পাঁচ গোলের ব্যবধানে জিততাম। আমাদের যদি আরও গোল করার প্রয়োজন হতো, তাহলে আমরা আরও গোল করতাম। কিন্তু দল আর বেশি গোল করতে চায়নি।’