সংযুক্ত আরব আমিরাতের সামনে লক্ষ্যটা ছিল মাঝারি মানের। কানাডার করা ১৫০ রানের জবাব দিতে নেমেই হারের শঙ্কায় পড়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। কিন্তু আরিয়ান শর্মা এবং সোহাইব খানের শেষের ঝড়ে হাসি মুখ নিয়েই মাঠ ছেড়েছে আরব আমিরাত।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে এসে প্রথম জয়ের দেখা পেল আরব আমিরাত। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ কানাডাকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে মোহাম্মদ ওয়াসিমের দল। এই জয়ে সুপার এইটের দৌঁড়ে টিকে থাকল তারা। এর আগে ১৭৩ রানের পুঁজি নিয়েও নিউজিল্যান্ডের কাছে ১০ উইকেটে হেরেছিল আরব আমিরাত। এবার কানাডাকে হারিয়ে সে ক্ষতে কিছুটা হলেও প্রলেপ দিল দলটি। অন্য দিকে টানা দুই হারে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়ের শঙ্কায় উত্তর আমেরিকার প্রতিনিধিরা।
রান তাড়ায় আরব আমিরাতের শুরুটা ভালো হয়নি। দলীয় ৬৬ রানে ৪ উইকেট হারায় তারা। তখন ১২.৩ ওভারের খেলা চলছিল। জয়ের জন্য শেষ ৪৫ বলে ৮৫ রানের সমীকরণ দাঁড়ায় তাদের সামনে। আরিয়ান এবং সোহাইবের জোড়া ফিফটিতে এই সমীকরণ মিলিয়েছে আরব আমিরাত। পঞ্চম উইকেটে দুজনে মিলে যোগ করেন ৮৪ রান। এই জুটি গড়ার পথে কানাডার বোলারদের চোখে চোখ রেখে কথা বলেছেন তাঁরা।
আরিয়ান এবং সোহাইবের দারুণ ব্যাটিংয়ের পরও জয়টা প্রায় হাতছাড়া হয়েই যাচ্ছিল আরব আমিরাতের জন্য। শেষ ৪ ওভারে ৫৬ রান করতে হতো তাদের। অর্থাৎ ওভারপ্রতি দরকার ছিল ১৪ রান! ডিলন হেলিগারের করা ১৭ তম ওভারে ২ চার ও ১ ছয়ে ১৭ রান নেন সোহাইব। ১৯ তম ওভারে ১৮ রান নিয়ে জয়ের সমীকরণ সহজ করে ফেলে আরব আমিরাত। শেষ পর্যন্ত ২ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত হয় তাদের।
জয় থেকে ১ রান দূরে থাকতে আউট হন সোহাইব। তার আগে ২৯ বলে চারটি করে চার এবং ছক্কায় ৫১ রান করেন তিনি। ৭৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন আরিয়ান। ৬ চার ও ৩ ছক্কায় সাজানো তাঁর ৫৩ বলের ইনিংস। বাকিদের আর কেউ-ই দশকের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। দল হারলেও বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন সাদ বিন জাফর। ১৪ রানে ৩ উইকেট নেন কানাডার এই বোলার। এর আগে কানাডার হয়ে সর্বোচ্চ ৫০ রান এনে দেন হার্শ ঠাকের। নভনিৎ ডালিওয়ালের ব্যাট থেকে আসে ৩৪ রান। এ ছাড়া শ্রেয়াশ মোভা করেন ২১ রান। ৪ ওভারে ৩৫ রানে ৫ উইকেট নেন জুনায়েদ সিদ্দিকী। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন এই পেসার।