ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে চারশ পার করা সংগ্রহ পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় টেস্টে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংস থেমেছে ২৭৮ রানে। বাংলাদেশকে তিনশর আগে অলআউট করে কিছুটা স্বস্তিতেই ছিল পাকিস্তান।
বাংলাদেশের সংগ্রহ বড় হতে না দিয়ে লিড নেওয়ার স্বপ্ন বুনছিল পাকিস্তান। তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই সফরকারীদের ব্যাটিং লাইনে জোড়া আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। তারপর উইকেটের দেখা পান মেহেদী হাসান মিরাজ। এই দুজন যেন বোঝাতে চাইলেন—বাংলাদেশকে হাতের নাগালে রাখলেও শান মাসুদের দলের জন্য কাজটা মোটেও সহজ হবে না। বরং কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে পাকিস্তানের জন্য।
ব্যাটিং বিপর্যয় সামলে লিটন দাসের লড়াকু সেঞ্চুরিতে (১২৬) শেষ পর্যন্ত পৌনে তিনশর কোটায় যেতে পারে বাংলাদেশ। রান তাড়ায় প্রথম দিনের শেষ বিকেলে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২১ রান করে পাকিস্তান। দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই অতিথি শিবিরে আঘাত হানেন তাসকিন। দুই ওপেনারকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান এই পেসার। দিনের দ্বিতীয় ওভারেই ফেরান আব্দুল্লাহ ফজলকে। লিটনের গ্লাভসবন্দী হওয়ার আগে ৯ রান করেন তিনি। নিজের করা পরের ওভারে ১৩ রান করা আজান আওয়াইসকেও ফেরান তাসকিন। দলীয় ২৩ রানে ২ উইকেটের দলে পরিণত হয় পাকিস্তান।
এই ধাক্কা সামলে একাদশে ফেরা বাবর আজমকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন মাসুদ। কিন্তু এই জুটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মিরাজের করা ১৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে শর্ট কাভারে থাকা বদলি ফিল্ডার নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ দেন অধিনায়ক। ৬১ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। মাসুদ ফেরেন ২১ রান করে।