শেষ বিকেলে পাকিস্তানের দুই-একটা উইকেট তুলে নিতে পারলে সেটা হতো বাংলাদেশের জন্য ‘প্লাস পয়েন্ট’। চার বোলার খাটিয়েও সফল হননি নাজমুল হোসেন শান্ত। এরপরও এগিয়ে থাকার স্বস্তি নিয়ে দিনের খেলা শেষ করল বাংলাদেশ।
প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে প্রথম দিনের খেলা শেষে বিনা উইকেটে ২১ রান করেছে পাকিস্তান। ২৫৭ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় দিন মাঠে নামবে স্বাগতিকেরা। আজান ওয়াইজ ১৩ এবং আব্দুল্লাহ ফজল ৮ রানে অপরাজিত আছেন। এদিন ৬ ওভার ব্যাট করেছে পাকিস্তান। রানের চেয়েও দুই ওপেনারের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল বিনা উইকেটে দিন পার করে দেওয়া। সেই চ্যালেঞ্জ উতরে গেছেন আজান ও ফজল।
এর আগে লিটনের ব্যাটে ভর করে এই পুঁজি পায় বাংলাদেশ। হাসান আলীর বলে আউট হওয়ার আগে ১৬ চার এবং ২ ছক্কায় ১২৬ রান এনে দেন তিনি। ওপরের সারির ব্যাটাররা হতাশ করলেও লেজের ব্যাটারদের নিয়ে লিটনের লড়াকু ব্যাটিং দলকে পৌনে তিন শর কোটায় নিয়ে যায়। ষষ্ঠ উইকেটে তাইজুলকে (১৬) নিয়ে যোগ করেন ৬০ রান। নবম উইকেটে শরীফুল (১২) ইসলামের সঙ্গে তাঁর জুটি ৬৪ রানের। তার আগে তাসকিন আহমেদকে নিয়ে আরও ৩৮ রান যোগ করেন লিটন। ওপরের সারির ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে লিটনময় একটা দিন দেখলেন ভক্তরা।
প্রথম দুই সেশনে তিনটি করে উইকেট হারিয়ে রীতিমতো ধুঁকছিল বাংলাদেশ। আরও একবার ব্যর্থ ওপেনিং জুটি। স্কোরবোর্ডের কোনো রান হওয়ার আগে খোঁচা মেরে স্লিপে ক্যাচ দেন মাহমুদুল হাসান। ভালো খেলতে থাকা অভিষিক্ত তানজিদ হাসান তামিম আউট হয়েছেন ২৬ রান করে। ২২ রানের বেশি করতে পারেননি ঢাকা টেস্টের দুই ইনিংসেই ফিফটির দেখা পাওয়া মুমিনুল হক।
চতুর্থ উইকেটে মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার আভাস দিয়েছিলেন শান্ত। ব্যক্তিগত ২৯ রানে কাটা পড়ে অধিনায়কের ইনিংস। পাকিস্তানের ভুলে একবার বেঁচে যাওয়া মুশফিকও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২৩ রানে খুররম শেহজাদের বলে এলবিডব্লু হন সাবেক অধিনায়ক। বড় শট খেলতে গিয়ে হাসান আলীর হাতে ধরা পড়েন মিরাজ। মাত্র ৪ রান আসে ওয়ানডে দলপতির ব্যাট থেকে। ৮১ রানে ৪ উইকেট নেন খুররম। আব্বাস নেন ৩ উইকেট। ৪৫ রান দেন তিনি।