২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে অচলাবস্থা দূর হয়েছে। টানা কয়েক দিনের আলোচনার পর অবশেষে ভারত ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে পাকিস্তান সরকার। এই সিদ্ধান্তে ক্রিকেটের জয় হয়েছে বলে মনে করেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় আফ্রিদি লিখেছেন, ‘ক্রিকেটীয় চেতনা জয়ী হয়েছে (পাকিস্তান ভারত ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায়)। ম্যাচটি খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তান সরকার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পবিত্রতা রক্ষা করেছে এবং বিশ্বব্যাপী খেলাটির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেছে। ক্রিকেট জিতেছে, এর মানে হলো, বিভাজন দূর করতে এটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাবে।’
রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে ২০১৩ সালের পর আর দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলেনি ভারত-পাকিস্তান। কেবল বিভিন্ন বৈশ্বিক মঞ্চে মুখোমুখি হয় দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল। ভারত-পাকিস্তানের লড়াই থেকে অন্য যেকোনো ম্যাচের চেয়ে দ্বিগুণ কিংবা তারচেয়ে বেশি আয় করে আইসিসি। পাকিস্তানের বর্জন ঘোষণার পরও দর্শকপ্রিয় ম্যাচটি আয়োজন করতে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। টানা আট দিনের চেষ্টার পর অবশেষে পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত থেকে সরিয়ে এনেছে আইসিসি।
এমন সুখবরের পর এবার ভারত-পাকিস্তান টেস্ট দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন। সিরিজটি কোথায় হতে পারে, সেটাও জানিয়েছেন তিনি, ‘এটা প্রতিযোগিতা ও ক্রিকেটের জন্য দারুণ সিদ্ধান্ত। যেকোনোভাবেই হোক, খুব শিগগির এই দুই দলের মধ্যে একটি টেস্ট সিরিজের আয়োজন করা দরকার। তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য যুক্তরাজ্য হতে পারে দারুণ জায়গা।’
পাকিস্তান ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় মোটেও অবাক হননি ক্রিকেট বিশ্লেষক ও জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে। তিনি বলেন, বিশ্বকাপে পাকিস্তান এই ম্যাচ (ভারতের বিপক্ষে) খেলতই। এটা খুবই পরিষ্কার একটা বিষয় ছিল। এই ম্যাচ বর্জন সম্ভব ছিল না কোনোভাবেই।