হোম > খেলা > ক্রিকেট

৫ ওভার কমলেও ৪ বল আগে শেষ বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক    

ম্যাচের দৈর্ঘ্য ১৫ ওভারে নামিয়ে আনা হলেও বাংলাদেশ পুরোটা খেলতে পারেনি। ছবি: বিসিবি

বৃষ্টির বাগড়ায় বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড তৃতীয় টি-টোয়েন্টির দৈর্ঘ্য কমানো হয়েছে ৫ ওভার। কিন্তু ১৫ ওভারের ম্যাচ হলেও বাংলাদেশ পুরোটা খেলতে পারেনি। ব্যাটিং ব্যর্থতায় চার বল আগেই গুটিয়ে গেছে স্বাগতিকেরা।

মিরপুরে আজ নিউজিল্যান্ড নেমেছে সিরিজ বাঁচাতে। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে সফরকারীরা দুর্দান্ত বোলিং করেছে। বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে ১০২ রানে। জিততে হলে ডাকওয়ার্থ লুইস এন্ড স্টার্ন (ডিএলএস) মেথডে ১০৩ রান করতে হবে নিউজিল্যান্ডকে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে আজ তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতেও খেলতে পারছেন না নিউজিল্যান্ডের নিয়মিত অধিনায়ক টম ল্যাথাম। শেষ ম্যাচেও তাই অধিনায়কত্ব করছেন নিক কেলি। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। শুরুতে ধীরে সুস্থে এগোতে থাকেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। তবে মাত্র ১৯ বল স্থায়ী হয়েছে উদ্বোধনী জুটি। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে জেডন লেনক্সকে তুলে মারতে যান সাইফ। টাইমিংয়ে গড়বড় হওয়া বল মিড অফে তালুবন্দী করেন টিম রবিনসন। ১১ বলে ২ চারে ১৬ রান করে আউট হয়েছেন সাইফ।

সাইফ আউট হওয়ার ঠিক পরের ওভারে জোড়া ধাক্কা দেন নাথান স্মিথ। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে তানজিদ তামিমকে (৬) বোল্ড করেন স্মিথ। একই ওভারের চতুর্থ বলে রানের খাতা খোলার আগেই পারভেজ হোসেন ইমনকে ফেরান স্মিথ। মুহূর্তেই ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ২১ রান থেকে ৪.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ৩৫ রানে পরিণত হয় বাংলাদেশ। এরপর স্মিথের পঞ্চম ওভারের পঞ্চম বলটা অফস্টাম্পের বাইরে থাকায় তাওহীদ হৃদয় ছেড়ে দিয়েছেন। হ্যাটট্রিক আর করতে পারেননি স্মিথ।

দ্রুত ৩ উইকেট হারানোর পর লিটন চড়াও হয়েছেন নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ওপর। তবে সপ্তম ওভারের চতুর্থ বল ইশ সোধি করার পরই মুষলধারে নামে বৃষ্টি। বাংলাদেশ ৬.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ৫০ রান হওয়ার পর মুষলধারে বৃষ্টি নামে। ২টা ৩৫ মিনিটে আম্পায়ার-ক্রিকেটাররা মাঠ ছেড়ে চলে যান।

প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ৪টা ৩০ মিনিটে শুরু হয় ম্যাচ। ২০ ওভারের পরিবর্তে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে আসে ১৫ ওভারে। ম্যাচ পুনরায় শুরুর পর লিটন আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন। সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে সোধিকে পয়েন্ট দিয়ে কাট করে চার মেরেন লিটন।

বৃষ্টির পর চার মেরে শুরু করলেও লিটন ইনিংস বড় করতে পারেননি। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে ক্লার্কসনকে তুলে মারতে যান লিটন। ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে সহজ ক্যাচ তালুবন্দী করেন বেভান জ্যাকবস। এখান থেকেই বাংলাদেশের ইনিংসে ভাঙন শুরু। ৩৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪.২ ওভারে ১০২ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন তাওহীদ হৃদয়। ২৪ বলের ইনিংসে ৩ চার ও ২ ছক্কা মেরেছেন।

বাংলাদেশের ইনিংসের দুই উইকেটের সমাধান করতে তৃতীয় আম্পায়ারের শরণ নিতে হয়েছে নিউজিল্যান্ডকে। দুইটাই হয়েছে ১৩তম ওভারে। ক্লার্কসনের করা ওভারের প্রথম বলে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে টিম রবিনসন ক্যাচ ধরার পরও হৃদয় দাঁড়িয়েছিলেন। তৃতীয় আম্পায়ার যাচাই করে আউটের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। ঠিক তার পরের বলে (১২.২) রবিনসন পয়েন্টে ক্যাচ ধরে নিজেই তৃতীয় আম্পায়ারের শরণ নিয়েছেন। এবার আউট হয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন (০)।

নিউজিল্যান্ডের ক্লার্কসন ২ ওভারে ৯ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স। যার মধ্যে ১৫তম ওভারের প্রথম দুই বলে শরীফুল ইসলাম ও রিপন মন্ডলকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংসের ইতি টানেন সিয়ার্স। দুটি উইকেটই হয়েছে বোল্ড।

সিরিজ জেতাই হলো না বাংলাদেশের

৯ ওভারের ম্যাচেও হেরে গেল বাংলাদেশ

শেরেবাংলায় ‘জলপ্রপাত’, বিসিবিকে নিউজিল্যান্ডের খোঁচা

‘১৫ বছরের ছেলেকে নিয়ে এত ভয় আগে কখনো পাইনি’

পাঁচ ওভার কমেছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচের

ভারত-পাকিস্তান হ্যান্ডশেক ইস্যুতে সাত মাস পর জানা গেল নতুন কাহিনি

ভারতে নারী ক্রিকেটারের আত্মহত্যা, পুলিশের তদন্ত শুরু

বৃষ্টিতে বন্ধ বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ

ডিপিএলের ম্যাচে ক্রিকেটারদের ভাত-গরুর মাংসের জায়গায় কী থাকবে

একাদশে পরিবর্তন এনে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ