দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হট ফেভারিট ভারতের হার নিয়ে আলোচনা যেন থামছেই না। প্রোটিয়াদের কাছে ৭৬ রানের হারের পর সূর্যকুমার যাদবদের নিয়ে সমালোচনায় ব্যস্ত সাবেক ক্রিকেটাররা। এই তালিকার একজন পাকিস্তানের কিংবদন্তি স্পিনার সাকলাইন মুশতাক। দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতকে মাটিতে আছড়ে ফেলেছে বলেই মনে করছেন তিনি।
ম্যাচের ফলই বলছে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে কতটা অসহায় ছিল ভারত। আহমেদাবাদে এইডেন মার্করামের দলের করা ১৮৭ রানের জবাবে ১১১ রানে অলআউট হয় আয়োজকেরা। এই হারের আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগের ১২ ম্যাচে টানা জয় তুলে নিয়েছিল ভারত। এর আগে সবশেষ ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছিল দলটি। এরপর থেকেই এই সংস্করণের বিশ্বকাপে উড়ছিল ভারত। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর থেকে এবারের বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত ৪৫ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ছয়টিতে হেরেছিল তারা।
এমন দারুণ ফর্মের কারণে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শিরোপা জেতার অন্যতম দাবিদার হিসেবে মনে করা হচ্ছে ভারতকে। গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকেই সুপার এইটে পা রাখে সূর্যরা। কিন্তু শেষ আটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাজেভাবে হেরে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে ভারত। এই হারে সেমিফাইনালের সমীকরণ কঠিন হয়ে গেছে তাদের। নিজেদের বাকি দুটি ম্যাচ জেতার পাশাপাশি অন্য ম্যাচগুলোতেও চোখ রাখতে হবে ভারতকে।
দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় হারের পর ভারতীয় দলের কঠোর সমালোচনা করেছেন হরভজন সিং, সুনিল গাভাস্কার, রবিচন্দ্রন অশ্বিনদের মতো সাবেক ক্রিকেটাররা। এই হার ভারতের জন্য উচিত শিক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন অশ্বিন। এবার তাঁর সুরেই কথা বললেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা স্পিনার মুশতাক।
পাকিস্তানের এক টিভিতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুশতাক বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার সব পরিকল্পনা কাজে লেগেছে। তারা একরকম ভারতকে মাটিতে আছড়ে ফেলেছে, তুলোধুনা এবং অপমানিত করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত যতটুকুই দাপট দেখাচ্ছিল, দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের উচিত শিক্ষা দিয়েছে। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং–তিন বিভাগেই তাদের পরিকল্পনা ছিল দুর্দান্ত। ক্যাচটি (অভিষেক শর্মার ক্যাচ নিয়েছিলেন করবিন বশ) ধরার সময় তাদের দারুণ সমন্বয় ছিল।’