প্রথম দুই সেশনে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে রীতিমতো বাংলাদেশকে চাপে রেখেছিল পাকিস্তান। নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিমরা ক্রিজে টিকে গিয়েও ইনিংস বড় করতে পারেনি। তাতে ২০০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কা জেগেছিল। কিন্তু বাকিদের ব্যর্থতার দিনে একপ্রান্তে আগলে রাখেন লিটন দাস।
কখনো তাসকিন আহমেদ, আবার কখনো তাইজুল-শরীফুলদের নিয়ে দলের রানের চাকা সচল রাখেন লিটন। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নিলেন এই ব্যাটার; পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয়।
দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে রিজওয়ানের গ্লাভসে ধরা পড়েন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ১০৬ রানে স্বাগতিকেরা চতুর্থ উইকেট হারালে ক্রিজে আসেন লিটন। শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী দেখা গেছে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ককে। সুযোগ পেলেই হাতখুলে খেলেছেন। লিটন ক্রিজে আসার পর অল্প সময়ের ব্যবধানে আউট হন মুশফিক এবং মেহেদী হাসান। দলের চাপের মুখে লেজের ব্যাটারদের নিয়েই লড়াই করতে হয়েছেন তাঁকে।
তাইজুলকে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে ৬০ রান যোগ করেন লিটন। তাইজুল ব্যক্তিগত ১৬ রানে সাজিদ খানের বলে বোল্ড হন। এরপর তাসকিনের সঙ্গে ৩৮ রানের জুটি গড়েন লিটন। ঢাকা টেস্ট ৭ রান করে খুররমের চতুর্থ শিকারে পরিণত হলে ক্রিজে আসেন শরীফুল। অলআউট হওয়ার খুব কাছে থাকায় শেষ দিকে পাকিস্তানের বোলারদের ওপর চড়াও হন লিটন। ৭১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারি মেরে তিন অঙ্কের ম্যাজিক্যাল ফিগার স্পর্শ করেন। সেঞ্চুরি করার পথে ১৩ চারের পাশাপাশি মারেন একটি ছক্কা।