সত্যিকারের টেস্ট ব্যাটিং বলতে যা বোঝায়, মিরপুরে সেভাবেই খেলছে বাংলাদেশ। কোনো রকম তাড়াহুড়ো না করে স্ট্রাইক রোটেট করছেন সাদমান ইসলাম-তাওহীদ হৃদয়। আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের বাজে বলকে বাউন্ডারিতে পরিণত করছেন তাঁরা। ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে সফরকারীদের পরীক্ষা নিচ্ছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
সকালে তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক বাজে শটে আউট হয়েছেন। মুমিনুলেরটা তো ‘আত্মহত্যা’ই বলা যায়। থিতু হয়ে যাওয়ার পর ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে শামার জোসেফকে ক্যাচ অনুশীলন করিয়েছেন মুমিনুল। সাদমান-হৃদয় ধীরস্থির ব্যাটিং করছেন। চা পানের বিরতির আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্কোর ৫৯ ওভারে ৩ উইকেটে ১৭৭ রান।
টস জিতে আগে ব্যাটিং নেওয়া বাংলাদেশ ২৯ ওভারে ২ উইকেটে ৯৬ রান করে দ্বিতীয় সেশনের খেলা শুরু করে। লাঞ্চ বিরতির পর স্বাগতিকেরা কেবল এক উইকেট হারিয়েছে। সেই উইকেটও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আদায় করে নিতে হয়েছে। ৩৬তম ওভারের তৃতীয় বলে জোমেল ওয়ারিকানকে সুইপ করতে যান শান্ত। ওয়ারিকানের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিজের অন্যান্য ফিল্ডাররা আবেদন করলেও আম্পায়ার সাড়া দেননি। রিভিউতে দেখা যায়, সুইপ করার সময় ওয়ারিকানের বল শান্তর ব্যাট-গ্লাভস ফাঁকি দিয়ে প্যাডে আঘাত করেছে। তিন লাল বাতি জ্বলায় শান্ত আউট হয়ে যান।
১৯ রান করে শান্ত আউট হলে তৃতীয় উইকেটে তাঁর সঙ্গে সাদমানের ৮৫ বলে ৪২ রানের জুটি। তখন ব্যাটিংয়ে নামেন তাওহীদ হৃদয়। মুশফিকুর রহিম চোটে পড়ায় খেলতে পারছেন না বলে তাঁর জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন হৃদয়। জুনে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকের পর এটা হৃদয়ের দ্বিতীয় টেস্ট। প্রথম টেস্ট ফিফটি পেতে তাঁর প্রয়োজন ১৪ রান। ৩৬ রানে তিনি অপরাজিত।
তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরির কাছাকাছি আছেন সাদমান। ১৬৭ বলে ৮ চারে ৭৯ রানে তিনি ব্যাটিং করছেন। আর চা পানের বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের রানরেট ৩।