হোম > খেলা > ক্রিকেট

‘অস্ট্রেলিয়া বধ বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দিন’

ক্রীড়া ডেস্ক    

২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে টেস্ট খেলতে নেমে দাপুটে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ছবি: এএফপি

ডারউইনে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। যে অস্ট্রেলিয়ায় সবশেষ ২০০৩ সালে টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ, নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে ২৩ বছর পর সুযোগটা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে এশিয়ার এই দলটি। ঐতিহাসিক জয়ের পর ক্রিকেট বিশ্বে চলছে বাংলাদেশ বন্দনা।

সবশেষ এ বছরের জুনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জেতে বাংলাদেশ। একই ধারাবাহিকতায় এবার অস্ট্রেলিয়া সফরে বাজিমাত করেছেন শান্ত-মেহেদী হাসান মিরাজরা। যাঁদের অস্ট্রেলিয়ার মাঠে টেস্ট খেলার কোনো অভিজ্ঞতা নেই, তাঁরা এবার ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে উড়িয়ে দিয়েছেন স্বাগতিকদের। দেড় দিন হাতে রেখে ৯ উইকেটের বিশাল জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। হার্শা ভোগলে নিজের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দিন। এটা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য দারুণ এক দিন এবং বিশ্ব ক্রিকেটে এক বার্তা।’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। ক্রিকেটারদের বোনাস দেওয়া, দেশের কোনো টিভিতে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ না দেখানোসহ অনেক বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। এসেছে ২০১০ সালে তাঁর লর্ডসে সেঞ্চুরির কথাও। সেবার দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পরও অনেক সমালোচনা হয়েছিল। এমনকি এবার জুনে জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংসে হারের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ একেবারে কম হয়নি। তার ওপর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংসে হারের পর বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

সব সমালোচনার জবাব তানজিদ হাসান তামিম-শান্তরা দিলেন মাঠে। তামিমের মতে শান্তরা আশপাশের সমালোচনা নিয়ে অত মাথা ঘামান না। বিসিবি সভাপতি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় যারা খেলে তারা হয়তোবা এসব নিয়ে অত বেশি মনোযোগ দেয় না। সমালোচনা হবেই। এটা যেকোনো জায়গায় কথাবার্তা হয়ই। এটা স্বাভাবিক। যেটা আপনাকে বললাম যে এটা শুধু জয়ই নয়। বিশ্বের কাছে একটা বার্তাও। আমরা অনেক গর্বিত।’

অস্ট্রেলিয়াকে হারালেও ২০২৫-২৭ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে বাংলাদেশ চারে। শান্তর দলের সফলতার হার ৬৬.৬৭ শতাংশ। অস্ট্রেলিয়ারও অবস্থানের পরিবর্তন হয়নি। ৭৭.৭৮ শতাংশ সফলতার হার নিয়ে শীর্ষে অজিরা। ম্যাকেতে ২২ আগস্ট শুরু হবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট।