তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজদের দাপুটে বোলিংয়ে প্রথম সেশন নিজেদের করে নিয়েছিল বাংলাদেশ। ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে থেকেই দুপুরের খাবার খেতে যায় পাকিস্তান। তবে মধ্যাহ্ন বিরতির পর প্রেক্ষাপট ভিন্ন হচ্ছে সালমান আলী আগা এবং মোহাম্মদ রিজওয়ানের প্রতিরোধে।
প্রথম সেশনে মাত্র ২০ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারানোর পর সালমান এবং রিজওয়ানের ব্যাটে তাকিয়ে ছিল পাকিস্তান। দলের বিপদে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলের রানের চাকা বেশ ভালোভাবেই সচল রেখেছেন তাঁরা দুজন। তাঁদের ব্যাটে চাপ সামাল দিয়ে লিডের স্বপ্ন দেখছে সফরকারী দল।
২৩০ রানে পঞ্চম উইকেট হারানোর পর সালমান-রিজওয়ান জুটিতে ৩০০ রানের কোটা পার করে বাংলাদেশকে ছোঁয়ার চেষ্টায় পাকিস্তান। এর আগে শুরুতে স্বাগতিকদের গলার কাটা ছিলেন আজান আওয়াইস। আজ দিন দিনের শুরুতেই সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ওপেনার। অভিষেক সেঞ্চুরি করা এই ব্যাটারকে ফেরান তাসকিন। এ ছাড়া ফিফটি করে আউট হওয়ার আগে চিন্তার কারণ ছিলেন আব্দুল্লাহ ফজল।
ফিফটির দেখা না পেলেও ইমাম উল হকের ৪৫ রানের ইনিংসও বাংলাদেশকে কম ভোগায়নি। এই তিন ব্যাটারের পর প্রতিরোধ গড়ে এবার বাংলাদেশের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন সালমান এবং রিজওয়ান। দুজনেই ফিফটি তুলে নিয়েছেন। এরই মধ্যে শতরানের জুটি গড়েছেন তাঁরা। সালমান এবং রিজওয়ানের ব্যাটে ধুঁকছেন তাসকিন, মিরাজরা। স্পিন-পেস যৌথ বোলিং আক্রমণেও এই জুটি ভাঙতে পারছে না বাংলাদেশ। দ্রুত এই জুটি ভাঙতে না পারলে শান্তর দলের ওপর লিড চাপিয়ে দেবে পাকিস্তান।