দলে একের পর এক চোটের হানা। অধিনায়ক মিচেল মার্শ তো অণ্ডকোষে চোট পাওয়ার কারণে এখন পর্যন্ত এক ম্যাচও খেলতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়া অবশ্য দুই ম্যাচ খেলে ফেলেছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হার তাঁদের ফেলে দিয়েছে খাদের কিনারায়। সুপার এইটে যাওয়া নির্ভর করছে অনেক যদি-কিন্তুর ওপর।
আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের আগে তাই বিপদ কাটাতে বিশ্বকাপ দলে স্টিভ স্মিথকে ডেকেছে তারা। যদিও স্মিথ মার্শের জায়গায় নয়, সুযোগ পেয়েছেন জশ হ্যাজলউডের পরিবর্তে। বিশ্বকাপের আগেই চোটের কারণে ছিটকে যান হ্যাজলউড। তবে শুরুতে সেই শূন্যস্থান পূরণ করেনি অস্ট্রেলিয়া। শ্রীলঙ্কা ম্যাচের আগে রোববার অনুশীলন করেছেন স্মিথ, তবে তিনি একাদশে থাকবেন কি না তা এখনও নিশ্চিত নয়।
নির্বাচক টনি ডোডেমাইড বলেন, ‘আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, স্কোয়াডে যেকোনো পরিবর্তনের প্রস্তাব ম্যাচের অন্তত একদিন আগে জমা দিতে হয় এবং কার্যকর করতে হয়। স্টিভ এখানে আছেন এবং মিচেল ও স্টয়নিসের ফিটনেস নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকায় তাকে এখনই স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা বুদ্ধিমানের কাজ ছিল, যাতে প্রয়োজন হলে তিনি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকেন।’
স্মিথ সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন। তবে বিগ ব্যাশ লিগে তিনি দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন, যেখানে ১৬৭.৯৭ স্ট্রাইকরেটে ৫৯.৮০ গড়ে ২৯৯ রান সংগ্রহ করেন। এর ফলে তাঁকে বিশ্বকাপ দলে নেওয়ার জোরাল দাবি উঠেছিল।
টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে স্মিথের গড় ২৪.৮৬ এবং স্ট্রাইক রেট ১২৫.৪৫। তবে সর্বশেষ জাতীয় দলে খেলার পর থেকে বিভিন্ন লিগ ও ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তার গড় ৪৯.৭৩ এবং স্ট্রাইক রেট ১৫৬.১৯।
বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকজন ব্যাটারের ফর্ম খুব একটা আশানুরূপ নয়। ট্রাভিস হেডের রান খরা কাটছে না, ক্যামেরন গ্রিনের ওপর চাপ বাড়ছে এবং গ্লেন ম্যাক্সওয়েল বিগ ব্যাশের সেই বাজে ফর্ম শ্রীলঙ্কায়ও টেনে এনেছেন। স্মিথ এসেই নতুন প্রাণ সঞ্চার করতে পারবেন কি না, তা সময় বলে দেবে।
মার্শ গতকাল নেটে দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং করেছেন এবং তার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বোলিংয়ের সময় ফলো থ্রুতে হাতে আঘাত পাওয়া মার্কাস স্টয়নিসের গুরুতর চোট হওয়ার আশঙ্কা নেই।
দুই ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপের তিনে আছে অস্ট্রেলিয়া। সমান চার পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে শ্রীলঙ্কা। দুইয়ে জিম্বাবুয়ে।