প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানের বিপক্ষে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচেও হলো একপেশে লড়াই। তবে এবার আর জয়ী দলের নামটা বাংলাদেশ নয়; দাপুটে পারফরম্যান্সে মেহেদী হাসান মিরাজের দলকে বৃষ্টি আইনে ১২৮ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল পাকিস্তান।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ২৭৪ রান তোলে পাকিস্তান। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস থেমেছে ১১৪ রানে। ব্যাটে-বলে সমানতালে পারফর্ম করে সফরকারীদের এই জয়ের নায়ক মাজ সাদাকাত। প্রথম ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছিল তাঁর। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেন সাদাকাত।
লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল খুবই বাজে। দলীয় ১৫ রানেই ৩ ব্যাটারকে হারায় তারা। সে ধাক্কা সামলে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। বৃষ্টির কারণে দুই ঘণ্টার বেশি সময় খেলা বন্ধ থাকায় স্বাগতিকেদের সামনে ৩২ ওভারে ২৪৩ রানের নতুন লক্ষ্য দেওয়া হয়। বৃষ্টির আগে ৩ উইকেট হারানো দলটি লিটন দাসের ঝোড়ো ব্যাটে আশা দেখছিল। কিন্তু এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার প্যাভিলিয়নে হাঁটার পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন। ৪১ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয় তারা।
চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ৩৩ বলে ৪১ রান করেন লিটন। বাংলাদেশের হয়ে এটাই সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ২৮ রান করেন তাওহীদ হৃদয়। বাংলাদেশের আর কোনো ব্যাটার পাকিস্তানি বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেননি। তিনটি করে উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনের অর্ধেকের বেশি ধসিয়ে দেন সাদাকাতা ও হারিস রউফ। শাহিনের শিকার দুটি।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের শুরুটা হয়েছিল উড়ন্ত। কিন্তু শেষ দিকে বাংলাদেশের বোলাররা লাগাম টেনে ধরায় পৌনে তিনশর আগেই থামে অতিথিরা। মাজ সাদাকাত ৭৫ এবং সালমান আলী আগা করেন ৬৪ রান। ফিফটির দেখা না পেলেও তাঁদের যোগ সঙ্গে দেন মোহাম্মদ রিজওয়ান (৪৪ রান) এবং সাহিবজাদা ফারহান (৩১ রান)। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে রিশাদ হোসেন ৩ এবং মিরাজ নেন ২ উইকেট।