প্রথম যেকোনো কিছু জয়ের উপলক্ষে খেলোয়াড়দের অনুভূতি আসলে অন্য রকমই। আর যদি প্রথমবার আয়োজিত কোনো টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়া যায়, তাহলে সেটা বিশেষ এক মাত্রা যোগ করে। সাবিনা খাতুনরা আজ ঢাকার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরই ছাদখোলা বাসে উদ্যাপন শুরু করে দিয়েছেন।
থাইল্যান্ডে আয়োজিত প্রথমবার নারী সাফ ফুটসালে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ আজ সন্ধ্যায় ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে। সাবিনাদের যে ছাদখোলা বাসে বরণ করা হবে, সেটা আজ বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল বাফুফে। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী দোতলা বাস সময়মতো পৌঁছে যায় বিমানবন্দরে। সংবাদমাধ্যমকর্মীদের পাশাপাশি ভক্ত-সমর্থকদেরও দেখা যাচ্ছে ঢাকার বিমানবন্দরে। বাংলাদেশের পতাকা সংবলিত ছাদখোলা বাসে বড় করে লেখা, ‘লাল-সবুজে লেখা এক বিজয়ের গল্প।’ হলুদ ফুল দিয়ে সাজানো সেই বাসের ছাদে দাঁড়িয়ে ফুটবলাররা শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছেন। ভক্ত-সমর্থকদের দিকে ‘ভি’ চিহ্ন দেখিয়ে উদ্যাপন করেছেন সাবিনারা।
থাইল্যান্ডে আয়োজিত প্রথম নারী সাফ ফুটসালে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। ৬ ম্যাচে ৫ জয় ও ১ ড্রয়ে টুর্নামেন্টে তাদের পয়েন্ট ১৬। যার মধ্যে হুয়ামাক ইন্দোর স্টেডিয়ামে ২৫ জানুয়ারি থাইল্যান্ডকে ১৪-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। রানার্সআপ ভারত ছয় ম্যাচে পেয়েছে ১২ পয়েন্ট। আজ বিমানবন্দর থেকে সাবিনাদের ছাদখোলা বাসে করে হাতিরঝিল এম্ফি থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হবে।
নারী ফুটবলারদের ছাদখোলা বাসে বরণের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ২০২২ ও ২০২৪ সালে দুবারই নেপালকে হারিয়ে নারী সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই দুবার বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে জাঁকজমকপূর্ণ বরণ করা হয়েছিল সাবিনা-ঋতুপর্ণা চাকমাদের। নারী সাফ ফুটবল সেই দুবারের আয়োজক ছিল নেপাল।