দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সার্কভুক্ত দেশগুলোর ফুটবলারদের অন্য দেশের লিগে স্থানীয় হিসেবে খেলার নিয়ম চালু করেছে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)। এরই মধ্যে এই নিয়ম বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তাতেই আন্দোলনে নেমেছে স্থানীয় ফুটবলাররা।
সাফের এই নতুন নিয়মের সর্বোচ্চ ব্যবহার করছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। এবারের বাংলাদেশ ফুটবল লিগে দলটিতে সার্কের সবচেয়ে বেশি ফুটবলার খেলছেন। এর ফল খুব ভালোভাবেই পাচ্ছে ব্রাদার্স। গ্রুপসেরা হয়ে গতকাল শেষ চার নিশ্চিত করেছে তারা। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই আন্দোলনে আবাহনী লিমিটেড এবং মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবলাররা।
সার্ক কোটা বাতিল চেয়ে আজ বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বরাবর চিঠি দিয়েছেন আবাহনী এবং মোহামেডানের ফুটবলাররা। চিঠি হস্তান্তর করা হয়েছে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষারের কাছে। সার্ক কোটা বাতিলের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে ফুটবলাররা। সেগুলো হলো—দেশীয় ফুটবলারদের অধিক খেলার সুযোগ নিশ্চিত করা, স্থানীয় খেলোয়াড় উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা, লিগে দল সংখ্যা বাড়ানো, খেলোয়াড়দের আর্থিক নিরাপত্তা এবং বিদেশি খেলোয়াড় কোটা কমানো।
নিজেদের দাবি দাওয়া প্রসঙ্গে মোহামেডানের ডিফেন্ডার রহমত মিয়া বলেন, ‘আমাদের দেশের মধ্যে শুধু তারিক কাজী ভুটান লিগে খেলছে। অন্য কোনো দেশে এখনো আমাদের দেশের ফুটবলাররা আমন্ত্রণ পাচ্ছেন না। অন্য দেশের ফুটবলাররা ঠিকই আমাদের দেশে খেলছে। তাই আমরা এ ব্যাপারে ফেডারেশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।’
আবাহনীর ফুটবলার মোঃ ইব্রাহিম বলেন, ‘সার্কের পাঁচজন, সার্কের বাইরের দেশের তিনজন, বয়সভিত্তিক একজন ফুটবলার বাধ্যতামূলক খেলাতে হবে। একটি দলে তিনজন বিদেশি কোটা আর পাঁচজনই যদি সার্ক খেলায় তাহলে সেই দলে দুজনের বেশি (স্থানীয়) খেলোয়াড় খেলার সুযোগ পায় না। এ জন্য আমরা সার্ক ফুটবলার বাতিলের দাবি জানিয়েছি।’