হোম > বিজ্ঞান > গবেষণা

নিউ গ্লেন রকেটের অম্লমধুর যাত্রা

ফিচার ডেস্ক

মহাকাশ গবেষণার জগতে রোমাঞ্চকর ঘটনার কমতি নেই। গত রোববার এমনই রোমাঞ্চকর ঘটনার সাক্ষী হলো বিশ্ব। একদিকে আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের মহাকাশ সংস্থা ব্লু অরিজিন তাদের বিশালাকার নিউ গ্লেন রকেটের বুস্টার পুনর্ব্যবহার করে ইতিহাস গড়ল, অন্যদিকে যান্ত্রিক ত্রুটিতে কক্ষপথে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলো একটি দামি স্যাটেলাইট। এই মিশন যেমন প্রযুক্তির উৎকর্ষ দেখিয়েছে, তেমনি মহাকাশ অভিযানের অনিশ্চয়তাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স স্টেশন থেকে রোববার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে মহাকাশের দিকে যাত্রা শুরু করেছিল ২৯ তলা সমান উঁচু নিউ গ্লেন রকেটটি।

এটি ছিল এই সিরিজের তৃতীয় মিশন। তবে মিশনটির বিশেষত্ব ছিল এর প্রথম স্তরের বুস্টারে। গত নভেম্বরে এনজি-২ মিশনে যে বুস্টার ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটিকেই এবার সংস্কার করে ওড়ানো হয়। উৎক্ষেপণের ১০ মিনিট পর বুস্টারটি আটলান্টিক মহাসাগরে ভাসমান ড্রোনশিপে নিখুঁতভাবে অবতরণ করে। জেফ বেজোস এই ল্যান্ডিংয়ের ভিডিও শেয়ার করেন। এ ঘটনায় তাঁর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইলন মাস্ক তাঁকে অভিনন্দন জানান। এর মাধ্যমে ব্লু অরিজিন প্রমাণ করেছে, তারা রকেট পুনর্ব্যবহারের প্রতিযোগিতায় স্পেসএক্সের সঙ্গে পাল্লা দিতে প্রস্তুত।

রকেটের প্রথম স্তর কিংবা বুস্টারটি সফল হলেও গোলমাল বাধে এর দ্বিতীয় স্তরে। এই স্তরের কাজ ছিল এএসটি স্পেস মোবাইলের তৈরি ব্লুবার্ড ৭ স্যাটেলাইটকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে স্যাটেলাইটটি পরিকল্পিত উচ্চতার চেয়ে অনেক নিচু কক্ষপথে স্থাপিত হয়।

টেক্সাসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এএসটি স্পেস মোবাইল এক বিবৃতিতে জানায়, স্যাটেলাইটটি সচল হলেও এটি এতই নিচু কক্ষপথে রয়েছে যে এর নিজস্ব প্রোপালশন সিস্টেম দিয়ে ওপরে তোলা সম্ভব নয়। ফলে এটি এখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পড়ে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। যদিও স্যাটেলাইটটির সম্পূর্ণ বিমা করা ছিল, তবু এটি ব্লু অরিজিনের জন্য একটি বড় ধাক্কা।

ব্লু অরিজিনের এই মিশনের সাফল্য এবং ব্যর্থতা—উভয়ই তাৎপর্যপূর্ণ। রকেট বুস্টার আবার ব্যবহার করতে পারা প্রতিষ্ঠানটির জন্য বড় সাফল্য। কারণ, তারা স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে চায়। তবে দ্বিতীয় স্তরের এই ‘অফ-নমিনাল’ বা ত্রুটিপূর্ণ কক্ষপথ স্থাপন তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলোকে কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিতে পারে।

সূত্র: টেক ক্রাঞ্চ

এড শিরানের মতো লাল মাথার মানুষ বাড়ছে ইউরোপে—নেপথ্যে কী

মশা কেন আমাদের কানের কাছে ঘ্যানঘ্যান করে

শিম্পাঞ্জিদের ৮ বছরের গৃহযুদ্ধ নিয়ে গবেষণা: মানুষের সহিংসতার ধরনে নতুন চিন্তার খোরাক

বিশ্বের ১৫০০ ভাষার মধ্যে মিলল এক রহস্যময় যোগসূত্র

আফগান-সিরীয় শরণার্থীদের বিয়ে করতে চান না জার্মান নারীরা

মশার কামড়ে নিপাহ-জলাতঙ্কের সমাধান খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা

ছারপোকা নির্মূলের সহজ সমাধান আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা

চাঁদের বুকে নেমে কী কথা বলেছিলেন আর্মস্ট্রংরা

বাংলাদেশে নিপাহর মতোই বাদুড়বাহিত আরেক প্রাণঘাতী ভাইরাসের সন্ধান

১৪৬ আলোকবর্ষ দূরে বাসযোগ্য নতুন গ্রহের সন্ধান, পৃথিবীর চেয়ে শীত বেশি