ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন প্রধানকে অর্ধকোটির বেশি টাকাসহ আটকের ঘটনাকে ‘দুরভিসন্ধিমূলক ও ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছেন ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। তিনি বলেছেন, ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক কাজের টাকা বহন করা কোনো অপরাধ নয়, বরং নির্বাচনের আগমুহূর্তে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।
আজ বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের ‘লা-রোজা’ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি এবং পরে পারিবারিকভাবে খোঁজ নিয়েছি। জেলা আমির ব্যক্তিগত কাজে ঢাকা গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পথে সৈয়দপুরে তাঁকে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে আটক করে হয়রানিমূলক আচরণ করা হয়েছে। একজন ব্যক্তি তাঁর ব্যক্তিগত টাকা বিমানে আনবেন নাকি বাসে, সেটি তাঁর একান্ত বিষয়। তিনি তো টাকা বিতরণ করতে গিয়ে ধরা পড়েননি, বরং নিজের ব্যবসায়িক টাকা নিয়ে ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও ফিরছিলেন।’
জামায়াত প্রার্থী প্রশ্ন তোলেন, ঢাকা বিমানবন্দরের মতো কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনী পার হয়ে তিনি কীভাবে এলেন। তিনি বলেন, ঢাকা এয়ারপোর্টে অনেক চেকিং হয়। সেখানে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টাকার উৎস ও বৈধতা যাচাই করেই তাঁকে ছেড়ে দিয়েছে। অথচ সৈয়দপুরে এসে তাঁকে পুনরায় আটক করা হলো। এর পেছনে অবশ্যই কোনো দুরভিসন্ধি বা ষড়যন্ত্রের গন্ধ আছে।
নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে কেন এত টাকা বহন করা হচ্ছিল—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, ‘আপনারা জানেন, নির্বাচনের আগে ব্যাংক বন্ধ থাকে, লেনদেনে সীমাবদ্ধতা থাকে। উনার শিক্ষকতার পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ে একটি গার্মেন্টস ব্যবসা আছে। পরিবার নিশ্চিত করেছে যে, এটি সম্পূর্ণ ব্যবসায়িক টাকা। একজন ব্যবসায়ী তাঁর প্রয়োজনেই টাকা বহন করছিলেন।’