জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিতে এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংস্কার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দুটি পৃথক কমিটি গঠন করেছে। গতকাল রোববার রাতে দলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নতুন দুই কমিটির গঠনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশনায় ‘সংস্কার বাস্তবায়ন বিষয়ক কমিটি’ এবং ‘জুলাই গণহত্যা ও গুমের বিচার পর্যবেক্ষণ বিষয়ক কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
# সংস্কার বাস্তবায়ন বিষয়ক কমিটি
সংস্কার কার্যক্রম সমন্বয় ও বাস্তবায়ন তদারকির জন্য গঠিত কমিটির প্রধান করা হয়েছে দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেনকে। কমিটির উপপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।
কমিটির সদস্যরা হলেন— মনিরা শারমিন, সুলতানা জাকারিয়া, জাবেদ রাসিন, এহতেশাম হক, সালেহ উদ্দিন সিফাত, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, ফরিদুল হক, জহিরুল ইসলাম মুসা, আরমান হোসাইন, ইশতিয়াক আকিব ও মুনা হাফসা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই কমিটি সাংগঠনিক ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারসংক্রান্ত প্রস্তাব প্রণয়ন, বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবে।
# জুলাই গণহত্যা ও গুমের বিচার পর্যবেক্ষণ বিষয়ক কমিটি
জুলাই গণহত্যা ও গুমের ঘটনার বিচারপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির প্রধান করা হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহকে। উপপ্রধান হিসেবে রয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম শাকিন।
কমিটির সদস্যরা হলেন— কাজী রাইমুল ইসলাম (জুলাই আহত যোদ্ধা), শারমিন সুলতানা (শহীদ জুয়েলের বোন), জাহিদ হাসান (গুম হওয়া পরিবারের সদস্য), মো. মাহবুব আলম, অ্যাডভোকেট খন্দকার রাকিব, অ্যাডভোকেট ওমর ঢালী, অ্যাডভোকেট এরশাদুল বারী খন্দকার, অ্যাডভোকেট আমিনা আক্তার লাভলী, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, তামিম আহমেদ ও আরমান হোসাইন।
এ কমিটি বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের কাজ করবে বলে জানা গেছে।