ঢাকা: ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন করোনা আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। দুর্বলতা ছাড়া এই মুহুর্তে তার আর কোনও সমস্যা নেই। গতকাল বুধবার রাত পৌনে দশটার দিকে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের অন্যতম সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং সাড়ে ১০ টার দিকে মোহাম্মদ আল মামুন গুলশানে তার বাসায় যান। এসময় তাঁরা খালেদা জিয়ার সার্বিক সব খোঁজখবর নেওয়ার পর বের হয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।
ডা. জাহিদ বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অনেকটা উন্নতি হয়েছে। উনার শ্বাস-প্রশ্বাস এবং অক্সিজেনের মাত্রা ভালো আছে। শারীরিক দুর্বলতা থাকলেও ধীরে ধীরে তা কাটিয়ে উঠছেন। করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর দুর্বলতা বেশ দীর্ঘ সময় ধরে থাকে। প্রতিদিনই সেই দুর্বলতা আগের চেয়ে কিছুটা কমে যাচ্ছে। তিনি আগের চেয়ে ভালো বোধ করছেন বলে জানিয়েছেন।’
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত এই চিকিৎসক জানান, দু-এক দিনের মধ্যে খালেদা জিয়ার রক্ত পরীক্ষা করা হবে। একইসঙ্গে তার করোনার পরীক্ষাও করা হবে। এরপর নতুনভাবে চিকিৎসা শুরু হবে।
‘খালেদা জিয়া এই মুহুর্তে বিপদের বাইরে কীনা’- এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, এটি বলার সময় এখনও আসনি।
খালেদা জিয়ার বাসার অন্যান্য যারা আক্রান্ত হয়েছে তাঁদের প্রসঙ্গে জাহিদ বলেন, ৮ জন স্টাফ আক্রান্ত হয়েছেন। প্রত্যেকের অবস্থার উন্নতি হয়েছে।
গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর জানানো হয়। তখন প্রথম ধাপের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল তাঁকে। পরে গত ১৫ এপ্রিল সিটি স্ক্যান করানোর পর তাঁর দ্বিতীয় ধাপের চিকিৎসায় ব্যবস্থাপত্রে পরিবর্তন আসে। তৃতীয় সপ্তাহে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে খালেদা জিয়ার করোনার চিকিৎসা তৃতীয় ধাপে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।