হোম > রাজনীতি

আগের চেয়েও কঠিন যুদ্ধ করতে হতে পারে: গয়েশ্বর

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ফাইল ছবি

দাবি আদায়ে ‘রাজপথের বিকল্প নাই’ মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘বিনা সংগ্রামে মানুষের অধিকারও কখনো আদায় হয় না। সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, জ্ঞানপাপী বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে কখনো কিছু আদায় করা যায় না। রাজপথের বিকল্প নাই। আমার মনে হয়, আমাদের আবারও রাজপথে নামতে হবে। হয়তো অতীতের চেয়েও কঠিন যুদ্ধ করতে হতে পারে।’

আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রজন্ম একাডেমি ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ আয়োজক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় গয়েশ্বর বলেন, ‘আমরা ১৬ বছর আন্দোলন করেছি একটা দৃশ্যমান শত্রুর বিরুদ্ধে। এই দৃশ্যমান শত্রুটা শুধু যে বিএনপির শত্রু ছিল তা না, পুরো জনগোষ্ঠীর শত্রু ছিল। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে একটা পর্যায়ে গিয়ে আমরা সরকারকে বিতাড়িত করতে পেরেছি। কিন্তু বর্তমান সরকারের পেছনে কী কী অদৃশ্য শক্তি আছে, তা আমাদের জানা নাই। তারা কী নিজের কথায় চলে, না পরের কথায় চলে, তা অনুমান করা যায় না। তারা কী চায় তা আমি বুঝতে পারি না। তারা কী চায় তারা নিজেরা সেটা বুঝতে পারে কিনা, তা আমি জানি না।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘এক-এগারো এসেছিল বিশাল একটা সংস্কারের কথা বলে। কিন্তু সেটা জাতীয় জীবনে এবং রাজনৈতিক জীবনে একটি বড় কুসংস্কার হয়ে দেখা দিলো এবং লুটপাটের দৌরাত্ম্য শুরু হলো। এখন এটার ধারাবাহিকতাই কি এই সংস্কার? নাকি আসলেই আমরা আমাদের রাজনীতির জীবনে যত অসুস্থতা আছে, সেটা থেকে সুস্থ হওয়ার সংস্কার?’

নতুন দল গঠন প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এক-এগারোর সময় দেখেছি অনেক কিংস পার্টির জন্ম। শেষ পর্যন্ত সেই কিংস পার্টিগুলো যে কোথায় হারিয়ে গেল, তার কোনো নাম, গন্ধ নাই। ওরা আবার জার্সি পাল্টিয়ে আমাদের বৃহত্তর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঢুকে পড়ল। সে কারণেই এই সরকারের যে কিংস পার্টি করার অভিপ্রায় নাই, সেটা বোঝা কষ্টের।’

ধানমন্ডির ৩২ নম্বরসহ সারা দেশের ভাঙচুরের ঘটনার প্রসঙ্গে গয়েশ্বর বলেন, ‘গত দুই-তিন দিন ধরে যেটা হয়েছে, হঠাৎ করে ছয় মাস পরে এই চেতনা কেন? ফজরের আজানের সময় আজান না দিয়ে যদি সেটা মাগরিবের সময় দেওয়া হয়, তাহলে কিন্তু মানুষ বিভ্রান্ত হয়। যদি ৬-৭ তারিখ (আগস্ট) বা এক সপ্তাহের মধ্যেও ৩২ নম্বরের বাড়িটি ভেঙে ফেলতো, তাহলে কিন্তু জনগণ এটা নিয়ে প্রশ্ন তুলত না। জনগণ প্রশ্ন তুলছে এই কারণে যে- দীর্ঘ বিরতির পরে কেন এই ঘটনা। দীর্ঘ বিরতির পর কেন বিভিন্ন সাবেক মন্ত্রীদের বাড়িতে আক্রমণ?’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আমরা ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করছি। আমরা শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চাই। বিচারের আওতায় আনতে চাই। এটা চলমান প্রক্রিয়া, থাকবে আইনের দৃষ্টিতে, বিচারের দৃষ্টিতে। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত হাসিনাকে আনতে পারব না, ততক্ষণ পর্যন্ত নির্বাচন করব না, তা তো হয় না।

গয়েশ্বর আরও বলেন, ‘রাজনীতিবিদদের তিরস্কার, রাজনীতিবিদদের সম্পর্কে বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য, আর সরকারের নীরবতা সবকিছু মিলিয়েই মনে হয়, একটা গুমোট পরিবেশ। যে কোনো সময় একটা নিম্নচাপের মতো চাপ আসতে পারে। সেটাকে মোকাবিলা করার জন্য আমাদের সদা জাগ্রত, সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।’

বিএনপির এ শীর্ষ স্থানীয় নেতা বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে- রাজপথেই এর ফয়সালা হবে। তবে এটা যদি না হতো, তাহলে ভালো হতো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যদি না হয়, তাহলে রাজপথের বিকল্প নাই। সে যুদ্ধ আরও কঠিন হতে পারে। কারণ বহুমুখী অদৃশ্য শক্তিকে মোকাবিলা করতে হতে পারে। সেই প্রস্তুতি রাখবেন।’

সিঙ্গাপুর রওনা হয়েছে মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

মির্জা আব্বাসকে নিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায়, সিঙ্গাপুরে রওনা হবে দুপুর ১২টায়

২৫০ বাসের রুট পারমিট চাওয়া ছাত্র কাউন্সিল নেতাকে বহিষ্কার

সাংবাদিকদের কণ্ঠের পাহারাদারি করার নিশ্চয়তা দিচ্ছি: জামায়াত আমির

‘সামান্তারা বিক্রি হয়’ মন্তব্য শাহরিয়ারের, ক্ষমা চাইতে বললেন এনসিপি নেতারা

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তি দেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি: সিপিবি

মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে রোববার

মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি

‘মধ্যপন্থী থেকে মধ্য-ডানপন্থী’ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ

ফের সিটিস্ক্যান করা হচ্ছে মির্জা আব্বাসের