বিগত দিনের অভিজ্ঞতা থেকে মানুষের মনে নির্বাচনে কারচুপি ও ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে উদ্বেগ আছে। তবে সামগ্রিকভাবে নির্বাচন ভালো হবে এবং তথাকথিত ইঞ্জিনিয়ারিং করার সুযোগ খুব একটা কার্যকর হবে না বলে মনে করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়িতে পৈতৃক বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল এ মন্তব্য করেন।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দেশের বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশ এখন পর্যন্ত অনুকূলেই রয়েছে। দীর্ঘ ১৫-১৬ বছরের লড়াই শেষে এই নির্বাচনকে তিনি গণতান্ত্রিক উত্তরণের একটি ‘গেটওয়ে’ বা প্রবেশদ্বার হিসেবে দেখছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজের সব স্তরে পুনরায় গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপির আশঙ্কা রয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিগত ১৫ বছরে এত বেশি কারচুপি ও ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে যে, মানুষের মনের মধ্যে সব সময় একটা উদ্বেগ কাজ করে। তবে এবার সামগ্রিকভাবে আমি মনে করি নির্বাচন ভালো হবে। তথাকথিত ইঞ্জিনিয়ারিং করার সুযোগ এবার খুব একটা কার্যকর হবে বলে আমি দেখি না।’
তিনি আরও যোগ করেন, সরকারি কর্মকর্তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারে, তবে দায়িত্ব পালনের সময় তাঁদের নিরপেক্ষ থাকা উচিত।
নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক বিএনপি তা স্বাগত জানাবে কিনা, এমন প্রশ্নে মির্জা ফখরুল ২০০৮ সালের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘আমরা সব সময় ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছি। ২০০৮ সালে মাত্র ৩০টি আসন পাওয়ার পরও আমরা পার্লামেন্টে গিয়েছি। আমরা কোনো প্রতিপক্ষকেই দুর্বল ভাবি না, বরং প্রতিটি নির্বাচনকে সিরিয়াসলি নিয়ে জয়ের জন্য লড়াই করি।’
ভোটের দিন এজেন্টদের সতর্কতা নিয়ে তিনি জানান, নির্বাচনে কারচুপি রোধে এজেন্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে গণমাধ্যমকে অতিরঞ্জিত সংবাদ পরিবেশন না করার জন্যও তিনি অনুরোধ জানান।