‘দুঃশাসন হটাও, ব্যবস্থা বদলাও, বিকল্প গড়ো’ স্লোগানকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার থেকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) দ্বাদশ কংগ্রেস। চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। একাদশ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৬ সালে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৪ বছর পর পর কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে এক বছর দেরিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে দ্বাদশ কংগ্রেস।
গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটি জানিয়েছে, সকাল ১০টায় ঢাকা মহানগর নাট্যমঞ্চে সারা দেশ থেকে আগত প্রতিনিধি পর্যবেক্ষকদের নিয়ে কংগ্রেসের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় পতাকা ও কাস্তে-হাতুড়ি খচিত পার্টির লাল পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কংগ্রেসের উদ্বোধন হবে। পার্টির সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোহাম্মদ শাহ আলম যথাক্রমে জাতীয় পতাকা ও পার্টির পতাকা উত্তোলন করবেন।
উদ্বোধনী সমাবেশের পর বিকেল ৩টায় গুলিস্তানের কাজী বশির মিলনায়তনে (মহানগর নাট্যমঞ্চ) সাংগঠনিক অধিবেশন শুরু হবে। কংগ্রেসে গত পাঁচ বছরের কর্মকাণ্ডের ওপর ‘কেন্দ্রীয় কমিটির রিপোর্ট’, পার্টির রণকৌশলগত দলিল অর্থাৎ কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক প্রণীত খসড়া ‘রাজনৈতিক প্রস্তাব’ ওপর আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। গঠনতন্ত্র অনুসারে কংগ্রেসের ৩ মাস আগে কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে মতামত প্রদানের জন্য খসড়া ‘রাজনৈতিক প্রস্তাব’ পার্টির অভ্যন্তরে বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিটি শাখা সম্মেলন, উপজেলা/থানা কমিটি সম্মেলন, জেলা কমিটি সম্মেলনে আলোচ্যসূচিভুক্ত করে খসড়া ‘রাজনৈতিক প্রস্তাব’ আলোচনা করা হয়। কংগ্রেসে রণনীতিগত দলিল ‘ঘোষণা ও কর্মসূচি’ সম সাময়িকীকরণ ও গঠনতন্ত্রের সংশোধনী, অডিট কমিটির রিপোর্ট, কন্ট্রোল কমিশনের রিপোর্ট, ক্রেডেনসিয়াল কমিটির রিপোর্ট উত্থাপিত এবং অনুমোদিত হবে।
কংগ্রেসের শেষ অধিবেশনে আগামী ৪ বছরের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটি ও কন্ট্রোল কমিশন নির্বাচন করা হবে এবং জাতীয় পরিষদ ঘোষণা করা হবে। কংগ্রেস চলাকালে প্রতিদিন বিকেল চারটায় গণমাধ্যম কেন্দ্রে মুখপাত্রগণ সংবাদ ব্রিফিং করবেন।