উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এমন অভিযোগ করেন মির্জা আব্বাস। নিজের নির্বাচনী এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে কিছু প্রার্থী আজেবাজে কথা বলছেন বলে অভিযোগ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘তাদের যে কাজকর্ম, তাদের কথাবার্তা অত্যন্ত উসকানিমূলক। তারা নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছে। আমি যে আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি, সেই আসনের কিছু কিছু প্রার্থী আমার সম্পর্কে আজেবাজে কথা বলতেছে। তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে উসকানিমূলক কথাবার্তা বলছে, যাতে আমরা একটু উত্তেজিত হই। এই ব্যাপারে আমি নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানাব, তারা যেন একটু খেয়াল রাখে।’
উসকানিতে কান না দিতে দলের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি ভোটারদেরও আহ্বান জানান মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘আমি নেতা-কর্মীদের বলব, যেকোনো উসকানি হোক, উসকানি দিক, উত্তেজিত হওয়া যাবে না, নেতা-কর্মীদের শান্ত থাকতে হবে।’
এখনো আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেননি জানিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘এখন এমনি দেখা-সাক্ষাৎ করা, এলাকার মধ্যে কথাবার্তা বলার জন্য বেরিয়েছি। যে এলাকায় আমি থাকি, সেই এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা, এটুকুই করছি। আমি ভোট প্রার্থনা করছি না, ভোট চাচ্ছিও না। যখন নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হবে, তখন আমরা যথাযথভাবে আমাদের কাজ শুরু করব।’
এ সময় পোস্টাল ব্যালট পেপার প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি যেটা দেখেছি, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে, এটা একেবারে উদ্দেশ্যমূলকভাবে করা হয়েছে; যাতে ব্যালট পেপারটা কনফিউজিং হয়ে যায়, সিল মারার পরে এটা কনফিউজিং হয়ে যাবে। আমি মনে করি, অতি দ্রুত নির্বাচন কমিশনের এটাকে ঠিক করা উচিত। এটা ঠিক না করে পেপার কোথাও যাওয়াও ঠিক না। আমি আশা করব, নির্বাচন কমিশন এটাতে সুদৃষ্টি দেবেন এবং যাতে বিষয়টা পক্ষপাতমূলক না হয়, এটা যেন তাঁরা চেষ্টা করেন।’
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আমি খুব শঙ্কিত। কারণ, কয়েক দিন আগেও আমাদের একজন কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। গতকালও একজনের ওপরে আক্রমণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিটা যাতে আরও খারাপ হয়, এ জন্য কিছু কিছু প্রার্থী কথাবার্তা বলছে।’