হোম > রাজনীতি

‘ওদেরকে গোনার টাইম নাই’—বিএনপির উদ্দেশে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

পঞ্চগড় প্রতিনিধি 

পঞ্চগড়ে বক্তব্য দিচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ছবি: আজকের পত্রিকা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘বিএনপির ভাইদেরকে নিয়ে কথা বললেই খেয়ে ফেলবে, মেরে ফেলবে, ধরে ফেলবে। শুধু বলতেই পারে, আর কিছু করতে পারে না। আমাদেরকে ভয় দেখায়। ওদেরকে গোনার টাইম নাই। আমরা এক আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাই না।’

আজ সোমবার সন্ধ্যায় পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার শহীদ মিনার চত্বর এলাকায় এনসিপির জুলাই পথসভায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এ কথা বলেন।

নাসীরুদ্দীন আরও বলেন, ‘একটা কার্ড চালু করে নাম দেব জুলাই গাদ্দার কার্ড। এই কার্ডের কয়েকটা শাখা-প্রশাখা হবে। একটা হবে সন্ত্রাসী কার্ড, এটা দেব যুবদলকে। টেন্ডারবাজ কার্ড, চাঁদাবাজি কার্ড দেব ছাত্রদলকে। আমরা আরেকটা কার্ড করব—ভারতীয় দালাল কার্ড, এটা দেব বিএনপিকে।’

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘ভেবেছিলাম, যে মানুষগুলো ১৭ বছর নির্যাতিত ছিল, তাদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে দেশটা ঠিক করব। যে মানুষটা কবরে গিয়েছে, পৃথিবীতে যার অস্তিত্ব নাই, সে মানুষটার নামেও তারা কৃষি কার্ড বিতরণ করছে।’

বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপির যেইসব চুনোপুঁটি সন্ত্রাসী আছো, আমরা তোমাদেরকে এখনো দাওয়াত দিচ্ছি, হেদায়াতের পথে আসো, নারীদের পক্ষে দাঁড়াও, হিন্দু ভাইদের পক্ষে দাঁড়াও, ব্যবসায়ী ভাইদের পক্ষে দাঁড়াও, আলেম-ওলামাদের পক্ষে দাঁড়াও, সীমান্ত পাহারা দাও। যদি পারো, তাহলে তোমাদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে রাজি আছি।’

দিল্লিতে ককরোচ পার্টির আন্দোলনের প্রতি যুবশক্তির সংহতি, পুলিশি হামলার নিন্দা

সরকার চালাতে মিত্রদের সহায়তা চান প্রধানমন্ত্রী

মিত্রদের মান ভাঙালেন তারেক রহমান, সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস

জুলাইয়ের শক্তিকে নিয়ে ফের আন্দোলনের হুমকি নাহিদের

যুগপৎ আন্দোলনের শরিক নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়

আ. লীগ পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে উত্তরার জনগণ সবার আগে প্রতিরোধ গড়বে: নাহিদ ইসলাম

স্থানীয় কাঠামোতে প্রশাসক নিয়োগ করে একদলীয় শাসনের পাঁয়তারা চলছে: আখতার হোসেন

আগে ছাত্রলীগ-যুবলীগ করতে হতো, এখন ছাত্রদল-যুবদল ছাড়া চাকরি হয় না: নাসীরুদ্দীন

সোমবার বিএনপির শরিক দল ও জোটের সঙ্গে বসবেন তারেক রহমান

বিএনপির হাতে আছে ২৮ কোটি ৭ লাখ টাকা