হোম > রাজনীতি

মাহবুব তালুকদার জটিল মানসিক রোগে আক্রান্ত: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন। তিনি নিজেই জটিল ও কঠিন মানসিক রোগে আক্রান্ত। আজ সোমবার রাজধানীর সূচনা কমিউনিটি সেন্টারে মোহাম্মদপুর থানার ১৯ নং ওয়ার্ডের পাঁচটি ইউনিটের সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

নির্বাচন এখন কতিপয় জটিল অসুখে আক্রান্ত, তাঁকে বাঁচাতে মেডিকেল বোর্ড গঠন করতে হবে; মাহবুব তালুকদারের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে কাদের বলেন, ‘অবাক লাগে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনের কমিশনার মাহবুব তালুকদার একটি দলের হয়ে যেভাবে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। তাতে মনে হয় ইসি নয়, তিনি নিজেই জটিল ও কঠিন মানসিক রোগে আক্রান্ত। বর্তমান ইসির মূল সমস্যাই হচ্ছে তিনি নিজেই।’ 

বিএনপি মাহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই আন্দোলনের ডাক দেন দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অথচ বিএনপি আমাদের চেয়ে ছয় ঘণ্টা পিছিয়ে আছে। কারণ আমাদের নেত্রী ভোর পাঁচটায় ঘুম থেকে উঠে। আর দুপুর ১২টার আগে বিএনপির কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না। সন্ধ্যার সময় নয়, গভীর রাতে বিবৃতি দেয়। এরা অন্ধকারের পার্টি। অন্ধকারে কাজ করতে তাঁদের ভালো লাগে।’

বিএনপির নিজের দলে এখন বিচ্ছেদের সানাই বাজছে দাবি করে কাদের বলেন, ‘একে একে নেতারা দল ছেড়ে যাচ্ছে। তাদের ২০ দলীয় জোটেও দেখা দিয়েছে ভাঙন। কাজেই বিএনপি নিজেরাই বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে। এখন শুনছি কেন্দ্রীয় সম্মেলন না করে ঘরে বসেই কমিটি করবে। সম্মেলন নাই এ দলে। নিজেদের ঘরেই গণতন্ত্র নেই। তাঁরা দেশে গণতন্ত্র কি করে করবে?’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কতগুলো অভিযোগ আসে। দাগি সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এই ধরনের বিতর্কিত, অপকর্মকারীদের দলে আপনারা ঠাঁই দেবেন না। নিজের লোক বাড়ানোর জন্য খারাপ লোকদের টেনে আনবেন না। খারাপ লোকেরা বসন্তের কোকিল। দুঃসময়ে হাজার পাওয়ারের বাতি দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না। দুঃসময়ে খাঁটি ও ত্যাগীরাই মাঠে থাকবেন। ভালো মানুষ যত আওয়ামী লীগে আসবে আমরা তত শক্তিশালী হবো।’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘দলে যদি কিছু খারাপ লোক থাকে, এগুলোকে বাদ দিয়ে দেন। এখানে ত্যাগী কর্মীর অভাব নেই। দরকার নেই খারাপ লোকের। খারাপ লোকদের বাদ দিয়ে, ভালো মানুষদের নিয়ে আমরা দল করবো। সেই আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নিবে।’

কাদের বলেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সম্মেলন হলে আমাদের দলের ভেতরের অন্তঃকলহ অনেকটা মিটে যাবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আপনারা যদি নেতা নির্বাচিত করেন তাহলে দলের অভ্যন্তরে রেষারেষি, কোন্দল তৃণমূলেই থেমে যাবে। এটা আর নতুন করে সমস্যার কারণ হবে না।’ 

দলের প্রতিটি ইউনিটের নেতা কর্মীদের গণসংযোগ করার নির্দেশনা দেন কাদের। তিনি প্রতিটি ঘরে আওয়ামী লীগের কি অবস্থা এর হিসেব করার জন্য বলেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা জনমতের একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন। যা মহানগরের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কমিটিতে জমা দেবেন। সেখানে আওয়ামী লীগের অবস্থা কি? শেখ হাসিনার প্রতি মানুষের আস্থা কতটা? তাঁর কর্মসূচিতে মানুষ কতটা খুশি। অথবা কেউ যদি অসন্তোষ প্রকাশ করে সেটাও উল্লেখ করবেন। এটা করলে দল অনেক উপকৃত হবে।’ ১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সলিম উল্লাহ সলুর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী

লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, সহসভাপতি সাদেক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক রানা প্রমুখ। 

গাইবান্ধা জাপা: মহাসচিব বনাম ভাইস চেয়ারম্যান

ঢাকা-৬ আসন: নানা সংকটের সমাধান দাবি ভোটারদের

পটুয়াখালী-৩: নুরকে জেতাতে মাঠে কেন্দ্রীয় বিএনপি

ইসির শুনানিতে মিন্টু-হাসনাতের বাগ্‌বিতণ্ডা, হট্টগোল

বিএনপি ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

জুলাই শহীদদের নিয়ে বিএনপির পরিকল্পনা ‘ইসির কারণে’ বিস্তারিত বললেন না তারেক রহমান

খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চাকারী: মঈন খান

ইসলামী আন্দোলনের জন্য এখনো আলোচনার দরজা উন্মুক্ত: জামায়াত

তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটান ও নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

কৌশলের নামে গুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান