গণমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গণমাধ্যমকর্মীদের অবদান স্মরণ রাখারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের ইফতার ও আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিএনপিকে গণমাধ্যমের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ফ্যাসিস্টদের মতো সাংবাদিকদের ওপর আর যেন চড়াও না হই, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। মুক্ত গণমাধ্যম সবার প্রত্যাশা।’
বাংলাদেশকে উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করার সুযোগ এসেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) ইতিহাস রচিত হতে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সংসদ বসবে। এই সংসদকে সকল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
ইফতার মাহফিলে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘গত ১৭ বছরে অনেক সাংবাদিক নির্যাতিত হয়েছেন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন। এমন পরিস্থিতি যেন ভবিষ্যতে না হয়, সে বিষয়ে সোচ্চার হতে হবে।’
গণতান্ত্রিক চর্চাকে প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থায় রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘কোনো মব কালচার গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয় না। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় গণমাধ্যমের শক্তিশালী ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।’
ইফতারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার বলেন, জনগণ, রাজনৈতিক দল এবং গণমাধ্যম এই তিনের সমন্বয়েই দেশ এগিয়ে যাবে।