হোম > জাতীয়

আত্মীয়তার প্রতীকে নারীকে আবদ্ধ করা আধিপত্যবাদী মানসিকতার প্রকাশ: জাবি অধ্যাপক নাহরিন

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান। ছবি: সংগৃহীত

আত্মীয়তার প্রতীকে নারীকে আবদ্ধ করার প্রবণতা একধরনের আধিপত্যবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান। তিনি বলেন, শিক্ষা, রাজনীতি ও কর্মক্ষেত্রে নারীকে পূর্ণ নাগরিক হিসেবেই স্বীকৃতি দিতে হবে।

আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পুরাতন এলিফ্যান্ট রোডে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) অডিটরিয়ামে উইমেন ইন ডেমোক্রেসির (উইনড) উদ্যোগে আয়োজিত ‘গণতন্ত্রের সংগ্রামে নারী: অবদান, দায় ও দায়িত্ব’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

জাবি অধ্যাপক বলেন, ইসলাম কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয় এবং ধর্মের নামে নারীবিদ্বেষ ছড়ানো ইসলামি নৈতিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ইসলামের নৈতিকতা ইখলাস, আখলাক ও হকের ওপর প্রতিষ্ঠিত, অথচ নারীর বিরুদ্ধে কটূক্তি, চরিত্রহনন ও সামাজিক অধিকার হরণের মাধ্যমে এই তিন নীতিই লঙ্ঘন করা হচ্ছে।

নারীদের ‘মা-বোন’ পরিচয়ে সীমাবদ্ধ করে দেখার প্রবণতার সমালোচনা করে নাহরিন ইসলাম খান বলেন, শিক্ষা, রাজনীতি ও কর্মক্ষেত্রে নারীকে নাগরিক হিসেবেই স্বীকৃতি দিতে হবে। আত্মীয়তার প্রতীকে নারীকে আবদ্ধ করা একধরনের আধিপত্যবাদী মানসিকতার প্রকাশ।

নাহরিন ইসলাম বলেন, সমাজে শুধু ত্যাগী মা নয়, প্রতিবাদী ও বিপ্লবী মায়ের স্বীকৃতিও প্রয়োজন। ইতিহাস প্রমাণ করে, বহু সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের পেছনে এমন নারীদের ভূমিকা রয়েছে।

আরও পড়ুন: