হোম > জাতীয়

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ মহসিন রশিদ এই রিট দায়ের করেছেন। আজ বুধবার রিটের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান তিনি। যে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছিল, সেই প্রয়োজন না থাকায় আইনটি চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে বলে জানান মহসিন রশিদ।

আইনজীবী মহসিন রশিদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই ট্রাইব্যুনাল বিখ্যাত হয়েছে বিচারিক হত্যাকাণ্ডের জন্য। এই ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছিল পাকিস্তানি যারা এখানে জেনোসাইড করেছে, যুদ্ধাপরাধ করেছে, ধর্ষণ করেছে, তাদের জন্য। যখন শিমলা চুক্তি হয়ে গেল, তখন আমরা মাফ করে দিয়েছি তাদের। তখন ওদের পাঠিয়ে দিল পাকিস্তানে। আর বাঙালিদের মধ্যে যারা অপরাধ করেছে, সহযোগিতা করেছে, তাদের বিচার করার জন্য ১৯৭২ সালে কোলাবোরেটরস ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছিল। যেখানে প্রায় ৩০ হাজারের মতো লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অনেককে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। পরে ১৯৭৮ সালে এটা বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়।’

মহসিন রশিদ বলেন, ‘২০০৯ সালে যখন জামায়াত নেতাদের হত্যা করার সিদ্ধান্ত হলো, জামায়াতকে নেতৃত্বশূন্য করার সিদ্ধান্ত হলো, তখন সংশোধন করা হয়েছে। সেখানে সাক্ষ্য আইন ও ফৌজদারি কার্যবিধি প্রযোজ্য না। আপিলের বিধান পরে আনা হয়েছে সংশোধন করে। ওই সময় কোনো ন্যায়বিচার ছিল না। কারণ, ওই সময় সবকিছু দেখা হতো একটি সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিকোণ থেকে। তখন আমি বারবার বলেছি, এটি সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ না, সুপ্রিম কোর্ট অব আওয়ামী লীগ। ২০০৯ সালে সংশোধন করে করা হয়েছে, ২০২৪ সালে সংশোধন করে করা হচ্ছে। ২০০৯ সালে যারা ছিল, তারা আপিল বিভাগ পর্যন্ত সবকিছু জিতেছে। ওই বিচারটা এত ত্রুটিপূর্ণ ছিল যে আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা (আপিল বিভাগের তৎকালীন বিচারপতি) ডিসেন্টিং রায় দিয়েছেন, খালাস দিয়েছেন। পরবর্তীকালে সিনহা (তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা) তাঁর বেঞ্চ থেকে বিচারপতি ওয়াহহাব মিঞাকে সরিয়ে অন্য বেঞ্চে দিয়েছেন।’

মহসিন রশিদ বলেন, ‘শেখ হাসিনা চেয়েছিল বিচারটা প্রতীকী করবে। কারণ, সে ইশতেহারে বলেছিল বিচার করবে। এস কে সিনহার বইতে লেখা আছে যে হাসিনা তাকে বলেছিল, এটা প্রতীকী হবে। কিন্তু সিনহা বলেছিল, এটা ওভাবে করলে হবে না, এটা চালিয়ে যেতে হবে। তখন এটা চালিয়ে গিয়েছে। এই ট্রাইব্যুনালে বিচারিক হত্যাকাণ্ড হচ্ছে। তাই এটি বিলুপ্ত করতে হবে। ২০২৪ সালের সংশোধন করার পর যে মামলাগুলো হচ্ছে, সেগুলো এখানে চলা উচিত না। কারণ, এইটাকে ড. ইউনূস ব্যবহার করেছে। এটা থাকলে অন্য সরকার এসে সংশোধন করে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবহার করবে। আমি এটাকে বিচারিক হত্যাকাণ্ডের আদালত বলি। এ জন্য আমি চাই, এটা বিলুপ্ত হোক।’

সংস্কৃতির মাধ্যমেই মানুষের মানবিক চেতনার বিকাশ ঘটে: সংস্কৃতিমন্ত্রী

সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের সম-অধিকার নিশ্চিত করবে সরকার: মির্জা ফখরুল

আহমদ ছফার কবর স্থানান্তরে সিটি করপোরেশন রাজি, জেলা প্রশাসন নীরব

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭০ জন

গুজব-অপপ্রচারকারীদের সাইবার আইনে অন্তর্ভুক্তি বিবেচনা করছে সরকার: সংসদে তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা

সংসদে কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে বিতর্ক

১৭ বছর পর দেশ একটি কার্যকর সংসদ পেয়েছে: স্পিকার

রোহিঙ্গাদের ১৩৭ কোটি টাকার মানবিক সহায়তা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

ঢাকাকে ভূমিকম্প সহনশীল করতে ‘মেগা প্ল্যান’, নিয়োগ পাবেন ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী