জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের পর থেকে রাজধানীতে পুলিশের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনের সড়কে এই সংঘর্ষের সময় পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার শেল ও লাঠিপেটায় ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মী, গণমাধ্যমকর্মীসহ অন্তত ৬০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
ওই সময় টি-শার্ট পরিহিত ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর লাঠি হাতে তেড়ে যাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমি ছুটির দিনে বাসায় ইনফরমাল ড্রেসে চুল কাটাচ্ছিলাম। যখন শুনতে পেলাম আন্দোলনকারীরা যমুনায় ঢুকে পড়ছে, আমি অন্য কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই চলে এসেছি। গিয়ে দেখি পরিস্থিতি ভয়ানক!’
আজ সোমবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের পাঁচ-ছয় দিন আগে সরকারপ্রধানের বাসার সামনে আন্দোলনকারীরা এসে যদি এ ধরনের কর্মকাণ্ড করে, তাহলে ডিএমপি কমিশনার হিসেবে কী বসে থাকার সুযোগ আছে? ডেইলি স্টার-প্রথম আলোতে যে আক্রমণ হলো গভীর রাতে, ট্রাফিক জ্যামের কারণে আমার অফিসারদের আমি সময়মতো সেখানে পাঠাতে পারিনি। এই ধরনের ঘটনা ঘটল। তখন সব দায় পুলিশর ওপর এল। সরকারপ্রধানের বাসভবনে যখন আন্দোলনকারীরা ঢোকার চেষ্টা করছিল, তখন ডিএমপি কমিশনার হিসেবে আমার বসে থাকার সুযোগ আছে কি না?’