হোম > জাতীয়

শিক্ষা খাতে আ.লীগ আমলের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হবে: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ আমলে শিক্ষা খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত সময়ে শিক্ষা খাতে সংঘটিত অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়গুলো পর্যালোচনার জন্য তদন্ত কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে সরকার নীতিগতভাবে গুরুত্বারোপ করেছে।

এ লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে, যাতে ওই সময়কালে সম্ভাব্য অনিয়ম, দুর্নীতি ও ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতাসমূহ যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে একটি সমন্বিত প্রতিবেদন করা যায়।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এমন তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তদন্ত ও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে শ্বেতপত্র প্রণয়ন ও প্রকাশের বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে তদন্ত কার্যক্রমের পরিধি ব্যাপক হওয়ার কারণে নির্দিষ্ট সময়সীমা এই মুহূর্তে নির্ধারণ করা সম্ভব নয় বলেও মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

কুমিল্লা-৪ আসনের আবুল হাসনাতের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের পদের সংখ্যা ১৫ হাজার ৮৪৪টি। এর মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ৭ হাজার ৭৪ জন।

রংপুর-১ আসনের রায়হান সিরাজীর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডে ৮০ হাজার ৩২০টি আবেদন জমা রয়েছে। এর বিপরীতে প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ ৯ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫৯ হাজার ৮২০টি আবেদন এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে; যার জন্য প্রায় ৭ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা প্রয়োজন।

সরকার চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ২০ হাজার ৫০০টি আবেদন নিষ্পত্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এ খাতে ২ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ছয় হাজার আবেদন নিষ্পত্তি করে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। অবশিষ্ট অর্থ দিয়ে আরও প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ জন শিক্ষক-কর্মচারীদের ভাতা প্রদান করা সম্ভব হবে। কল্যাণ ট্রাস্টের বার্ষিক আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হওয়ায় প্রতিবছর ১৮০ কোটি টাকার ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে।

যশোর-৪ আসনের গোলাম রছুলের প্রশ্নের জবাবে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বর্তমানে (জুন ২০২৩ হতে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত) ৪২ হাজার ৪০৭টি আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে, যা নিষ্পত্তির জন্য প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে কল্যাণ ট্রাস্টের বার্ষিক আয় প্রায় ৬৬০ কোটি টাকা হলেও বার্ষিক ব্যয় প্রায় ৮৪০ কোটি টাকা। এ জন্য বছরে প্রায় ১৮০ কোটি টাকার ঘাটতি হচ্ছে। এ কারণে আবেদন নিষ্পত্তি বিলম্বিত হচ্ছে।

শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ৫ মে

চট্টগ্রামে পর্যাপ্ত বিমান শক্তি থাকলে রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টি হতো না: সেনাপ্রধান

ঢাকায় হবে ১১০ মেগাওয়াটের লোডশেডিং: সংসদে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ ৭৭,২২৭টি—শিগগিরই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মায়ের দুধের ভূমিকা অনন্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলের পৃথক কমিটির ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

৬টি পাটকল লিজে দেওয়া হবে, বাড়বে কর্মসংস্থান: পাটমন্ত্রী

যুদ্ধ নয়, শান্তি নিশ্চিত করতেই প্রস্তুতি: সেনাপ্রধান

বাসের ভাড়া বাড়ল কিলোমিটারে ১১ পয়সা

এনসিপির মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল