ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ওপর লক্ষ্যভিত্তিক হামলাকে ‘আন্তর্জাতিক আইন ও প্রতিষ্ঠিত বৈশ্বিক রীতিনীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। তাঁর মৃত্যুতে ইরানি জনগণের প্রতি সমবেদনাও জানিয়েছে বাংলাদেশ।
আজ সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ভেরিফায়েড হ্যান্ডেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অবস্থান ব্যক্ত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সরকার গভীর দুঃখের সঙ্গে জেনেছে যে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এক লক্ষ্যভিত্তিক হামলায় নিহত হয়েছেন। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক আইন ও প্রতিষ্ঠিত বৈশ্বিক রীতিনীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’
ইরানি জনগণের প্রতিব সমবেদনা জানিয়ে বলা হয়, ‘ভ্রাতৃপ্রতিম ইরানের জনগণের প্রতি সরকার আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে। বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, সংঘাত কখনো কোনো সমাধান বয়ে আনে না। কেবল সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি আনুগত্যই বিরোধ নিষ্পত্তির একমাত্র পথ।’
আর আগে, গতকাল রোববার প্রকাশিত এক পৃথক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন সরকার। মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত বিবৃতিতে বাংলাদেশ সতর্ক করে বলে, অব্যাহত শত্রুতা কেবল আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং বেসামরিক জনগণের কল্যাণকে বিপন্ন করবে। বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন এবং মতপার্থক্য নিরসনে কূটনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে।
বাহরাইন, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ এই অঞ্চলের কিছু দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দাও জানিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বাংলাদেশ আশা করে, অতি দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফিরবে।