ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন ভোটের হার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তাৎক্ষণিক তথ্য নিশ্চিত করতে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ সোমবার ইসি সচিবালয়ের পক্ষ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়। কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনায় ভোটের দিন তথ্য ব্যবস্থাপনায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ইসির পরিপত্র অনুযায়ী, ভোট গ্রহণের দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু করে ফল না পাওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ভোট গ্রহণ চলাকালে নির্বাচনী পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর অন্তর ভোট দেওয়ার হার, ভোট গ্রহণ শেষে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা থেকে প্রাপ্ত ভোট গণনার বিবরণী পাঠাতে হবে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাঁদের নির্ধারিত কেন্দ্রের ফল ইসির সফটওয়্যারে এন্ট্রির জন্য দুজন করে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ করবেন। এই অপারেটররা কেন্দ্রভিত্তিক ফল (ফরম-১৬) স্ক্যান ও আপলোড করবেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনো আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যদি কোনো পোস্টাল ভোট না পান, তবে ফলাফলে তা ‘শূন্য’ (০) লিখে এন্ট্রি করতে হবে। চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার সময় পোস্টাল ভোটের হিসাব পদ্ধতিগতভাবে একীভূত করে ফরম-১৮-তে সন্নিবেশ করতে হবে।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ফলাফল গেজেটে প্রকাশের সুবিধার্থে একীভূত ফলাফল বিবরণী (ফরম-১৮) ও নির্বাচনের রিটার্নসহ (ফরম-১৯) প্রয়োজনীয় নথিপত্র ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অবশ্যই নির্বাচন কমিশনে হার্ড কপি ও সফট কপি আকারে পাঠাতে হবে।
উল্লেখ্য, চূড়ান্ত বার্তা শিটে অবশ্যই রিটার্নিং কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকতে হবে এবং তা ইসির নির্ধারিত সিস্টেমে আপলোড করতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আংশিক ফলাফলে স্বাক্ষর করতে পারবেন, তবে তাঁদের নমুনা স্বাক্ষর আগেভাগেই ইসিতে জমা দিতে হবে।