হোম > জাতীয়

ভোটাররাও কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন: ইসি

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ। ফাইল ছবি

সমালোচনার মুখে নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার-সংক্রান্ত আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের দিন সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও ভোটারদের মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে আর বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছে ইসি। তবে ভোটের গোপনীয়তা রক্ষায় গোপন কক্ষে ছবি তোলা নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন। আজ সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন চত্বরে সাংবাদিকদের জন্য করা বুথ পরিদর্শনকালে এ তথ্য জানান তিনি।

সন্ধ্যায় এ বিষয়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘এটা আমরা সংশোধন করছি। মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটাররা ভেতরে যাবেন এবং প্রার্থীরা যাবেন। কিন্তু গোপন কক্ষ যেখানে স্টাম্পিং হয়, সেখানে ছবি তুলতে পারবেন না। পোলিং এজেন্ট, পোলিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে মোবাইল রাখা যাবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সদস্য থাকেন, সবার কাছে তো কি থাকবে? না, কাজেই ওই জায়গাটাকে একটু ফিল্টার করে আপনাদের দিচ্ছি। ভোটাররা এবং সংবাদকর্মীরা বা পর্যবেক্ষকেরা মোবাইল নিয়ে ভেতরে যেতে পারবেন। কিন্তু গোপন কক্ষে ছবি তুলতে পারবেন না।’

আজ সোমবার ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে ভোটারদের মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞাকে অবাধ তথ্যপ্রবাহের পরিপন্থী, অযৌক্তিক ও অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছিল ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ভোটারদের নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বদলে নতুন করে সন্দেহ ও আস্থাহীনতা সৃষ্টি করবে এবং ভোটার উপস্থিতি কমাতে পারে।

রাজনৈতিক দলগুলোরও আপত্তি

ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের নির্দেশনাকে ‘বিস্ময়কর’ আখ্যা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। আজ সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জোটের নেতারা এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘হঠাৎ করে এমন নির্দেশনায় দেশজুড়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। আমরা ইসিকে বলেছি, যেন হুট করে এমন সিদ্ধান্ত না নেওয়া হয়।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘মোবাইল ফোন বন্ধ করার মতো কোনো “সারপ্রাইজড” সিদ্ধান্ত যেন আর না আসে। এতে নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনও এই নিষেধাজ্ঞার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেট ও মোবাইল ব্যবহার নাগরিকের মৌলিক অধিকারের অংশ। সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মোবাইল নিষেধাজ্ঞা জরুরি যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন ও সংবাদ সংগ্রহে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটাবে।’

অতীত অভিজ্ঞতা কী বলে

২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে শুধু ভোটারদের জন্য ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল নেওয়ার ওপরে বিধিনিষেধ ছিল। এরপর ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় গোপন বুথে মোবাইল নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তখন কমিশনের সিদ্ধান্তে বলা হয়েছিল যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় মোবাইল ফোন বাইরে রেখেই ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

এরপর ২০২২ সালের জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটকক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে ভোটারদের নিষেধ করেছিল নির্বাচন কমিশন। এতে বলা হয়েছে, ভোটকক্ষে ভোটাররা যাতে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে না পারে অথবা ভোটকক্ষে ভোটদান বিশেষ করে গোপন কক্ষে ভোট প্রদানের ছবি তুলতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।

ডিএনএ ল্যাবরেটরির যন্ত্রপাতি পুরোনো হওয়ায় কার্যকারিতা হ্রাস পেয়েছে: উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদ

সরকারের তেমন ব্যর্থতা নেই, লক্ষ্যমাত্রার ৯০ শতাংশ অর্জিত হয়েছে: প্রেস সচিব

বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য মিডিয়া সেন্টার ও হটলাইন চালু

২ ঘণ্টা পরপর দিতে হবে ভোটের হার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তথ্য

সংস্কার ও গণভোটে সমর্থন ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দলের

প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবে ১৩ জন আনসার, বিশৃঙ্খলা হলে জানাতে হবে অ্যাপে: আনসার-ভিডিপির মহাপরিচালক

অধস্তন আদালতের অবকাশ এখন থেকে দুই ধাপে

বিএনপির তিন প্রার্থীর বৈধতা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি কাল

নির্বাচনের আগে ইন্সপেক্টর হলেন ১৫৩ জন

উপদেষ্টাদের সম্পদের বিবরণী এক-দুই দিনের মধ্যে প্রকাশ: প্রেস সচিব