হোম > জাতীয়

অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ফিরল সুপ্রিম কোর্টের হাতে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ফাইল ছবি

সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে থাকা অধস্তন আদালতের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের পদায়ন, বদলি, পদোন্নতি, ছুটি ও শৃঙ্খলাসহ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী আইনের ১৯ ধারা এবং পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ৩৯ ধারা অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে অধস্তন আদালতের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের শৃঙ্খলাবিধি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া রায় পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ এ রায় দেন। এর ফলে অধস্তন আদালতের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ফিরেছে সুপ্রিম কোর্টের হাতে।

সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগীয় দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি দান ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) ও শৃঙ্খলা বিধান রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রিম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।’

১৯৭২ সালের সংবিধানে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত ছিল। ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এই দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত করা হয়। পরে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তা প্রযুক্ত হবে—এমন বিধান যুক্ত করা হয়। ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধন আইনের মাধ্যমে বর্তমান ১১৬ অনুচ্ছেদে ওই বিধানটি পুনরায় প্রতিস্থাপন করা হয়।

এর আগে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ এবং বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা প্রশ্নে জারি করা রুল শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল।

সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত বছরের ২৫ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবী রিটটি করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ২৭ অক্টোবর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। রুলে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ এবং ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। এছাড়া বিচার বিভাগীয় পৃথক সচিবালয় কেন প্রতিষ্ঠা করা হবে না, তাও জানতে চান আদালত।

চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চে রুল শুনানি শুরু হয়। তবে গত ২৪ মার্চ বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে আপিল বিভাগে নিয়োগ করে সরকার। এরপর এই সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি। পুনর্গঠিত বেঞ্চে চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল রুল শুনানি শুরু হয়।

রিট আবেদনকারীদের পক্ষে মোহাম্মদ শিশির মনির শুনানি করেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন ও জায়েদ বিন আমজাদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদি হাসান।

এছাড়া অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া এবং ইন্টারভেনর (ব্যাখ্যাদানকারী) হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম শুনানিতে অংশ নেন।

ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হাওরাঞ্চলের কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

অনিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘনে অভিযুক্ত ২৩১১ সার ডিলার: কৃষিমন্ত্রী

শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা তৈরি করবে সরকার: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

অধিবেশন চলাকালে অসুস্থ বিরোধীদলীয় এমপির খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জলাবদ্ধতার জন্য চট্টগ্রামবাসীর কাছে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ

রাজধানীকে ‘ক্লিন ও গ্রিন সিটি’ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা, নামছে ২৫০টি ইলেকট্রিক বাস

ফ্যামিলি কার্ডে মূল্যস্ফীতি কমবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সংসদে আনা হোক: রুমিন ফারহানা

ঢাকামুখী স্রোত কমাতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

শাহজালাল বিমানবন্দর: তৃতীয় টার্মিনাল চালুর সময় আরও পেছাল