হোম > জাতীয়

নির্বাচনের আগের মাসে বেড়েছে গণপিটুনি, কারা হেফাজতে মৃত্যু: এমএসএফ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের মাসে ৬৪টি সহিংসতার ঘটনায় ৫০৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে নিহত হয়েছেন চারজন। জানুয়ারিতে কারা হেফাজতে ১৫ জন বন্দীর মৃত্যু হয়েছে। গত ডিসেম্বরে এই সংখ্যা ছিল ৯। মব বা গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে ২৮টি। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২১ জন। গত ডিসেম্বরে গণপিটুনির ২৪টি ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১০ জন। জানুয়ারিতে ৫৭টি অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৯ জন নারী ও ৪৮ জন পুরুষ। গত ডিসেম্বরে অজ্ঞতানামা লাশ উদ্ধারের সংখ্যা ছিল ৪৮।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) জানুয়ারি মাসের ‘মানবাধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং প্রতিবেদনে’ এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা এবং নিজেদের অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে এই প্রতিবেদন তৈরি করে সংস্থাটি।

গত ডিসেম্বর ও চলতি মাসের তুলনামূলক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এমএসএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশের সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও জটিল, সহিংস ও উদ্বেগজনক রূপ ধারণ করে। প্রায় সব প্রধান মানবাধিকার সূচকেই জানুয়ারি মাসে ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে; যা রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির ধারাবাহিক প্রভাবকে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করে।

এমএসএফ মনে করে, নির্বাচনী সহিংসতা ছিল জানুয়ারি মাসের অন্যতম ভয়াবহ মানবাধিকার সংকট। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক সহিংসতায় জানুয়ারিতে আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে আহতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। পাশাপাশি দুষ্কৃতকারীদের হামলায় নিহত ও আহতের ঘটনাও বৃদ্ধি পায়; যা রাজনৈতিক সহিংসতার নৃশংসতা বৃদ্ধির দিকটি নির্দেশ করে।

এমএসএফের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে পুলিশ ও সেনা হেফাজতে দুজন মধ্যবয়সী পুরুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া এ মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্যাতনে নিহত হয়েছেন দুজন। জানুয়ারি মাসে ১১টি ঘটনায় ২৭ জন সাংবাদিক দেশের বিভিন্ন জেলায় পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় নানাভাবে হামলা, আইনি হয়রানি, গ্রেপ্তার, হুমকি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ মাসে সাইবার নিরাপত্তা আইনে চারটি মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন দুজন। জানুয়ারিতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে একজন আহত হন। বিএসএফের নির্যাতনে একজন নিহত, ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় অজ্ঞাত একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে অর্ধেকে নেমে এসেছে। তবে সরকার পতনের পর সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনায় শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোতে আসামির সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে, নাম উল্লেখ করা আসামির সংখ্যা ৩০ থেকে বেড়ে ১২০ এবং অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা ১১০ থেকে বেড়ে ৩২০-এ উন্নীত হওয়া আইনগত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও গণমামলার প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

এমএসএফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ২৫৭টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে, যা গত মাসের তুলনায় ১৪টি বেশি। এ মাসে ধর্ষণের ঘটনা ৩৪টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ১১, ধর্ষণ ও হত্যা ৩টি। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন পাঁচজন প্রতিবন্ধী কিশোরী ও নারী।

শাহজালাল বিমানবন্দরে চালু হলো ফ্রি ওয়াই-ফাই

ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

দুবাইয়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি গাড়িচালক নিয়োগে সাক্ষাৎকার শুরু আজ

মনগড়া টিআরপি-প্রচারসংখ্যা দিয়ে বিজ্ঞাপন বণ্টন হবে না: তথ্যমন্ত্রী

কর্ণফুলী টানেলে চার রাত নিয়ন্ত্রিত হবে যান চলাচল

ঈদুল আজহা কবে, জানা যাবে কাল

হাসপাতালগুলোর টেন্ডার দুর্নীতিতে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ট্রেনে ঈদযাত্রা: আজ বিক্রি হচ্ছে ২৭ মের টিকিট

ফরিদপুর ও পিরোজপুর: পাউবোর জমিতে বাড়ি-খামার

ঈদযাত্রা: লঞ্চের টিকিট বিক্রি শুরু আজ, বিশেষ সার্ভিস ২৫ মে থেকে