হোম > জাতীয়

তথ্য ফাঁসের প্রমাণ পাওয়ায় আনসার বাহিনী ও ব্র্যাক ব্যাংকের এনআইডি যাচাই সেবা বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ফাইল ছবি

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য ফাঁস হওয়ার প্রমাণ পাওয়ায় ব্র্যাক ব্যাংক এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ‘যাচাই সেবা’ সাময়িক বন্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বুধবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘এ ডেটা আপনাদের, আমাদের, সবার। আমরা সবাই নিরাপদ থাকব। নিরাপদ রাখার স্বার্থে যখন আমরা বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পেয়েছি—এ দুটো জায়গা থেকে লিক হচ্ছে, তখন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা সাময়িকভাবে এটা বন্ধ করে দিয়েছি।’

ইতিমধ্যে তথ্য ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়ে এনআইডি ডিজি বলেন, ‘ইতিমধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বলেছি, এটার ব্যাপারে আমাদের যে নিয়ম কানুন রয়েছে, প্রোটেকশন মেজারস নিতে বলি, সেগুলো নিশ্চিত করবেন। যারা জড়িত বলে আপনাদের কাছে প্রতীয়মান হবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের কাছে আসবেন।’

ডিজি হুমায়ুন কবীর জানান, পরবর্তী চুক্তি অনুযায়ী যা করার, করা হবে। এটা চলমান প্রক্রিয়া। যে কোনো মূল্যে দেশের নাগরিকের তথ্য যা ইসিতে সংরক্ষিত তা রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর।

বর্তমানে এনআইডি অনুবিভাগ থেকে ১৮৬টি প্রতিষ্ঠান তথ্য যাচাই সেবা নিতে ইসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ রয়েছে।

সবশেষ গত ফেব্রুয়ারিতে এনআইডি সেবা গ্রহণকারী তৃতীয় পক্ষের কাছে তথ্য ফাঁস হওয়ার ঘটনার পর পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সেবাও বন্ধ রয়েছে। এবার আরও দুটি প্রতিষ্ঠানেও তথ্য ফাঁসের প্রমাণ মিলল।

বিটিএমসির বিরুদ্ধে ৪৫ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ১২ লাখে বিক্রির অভিযোগ, দুদকের অনুসন্ধান শুরু

সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা হামিদুল আলম ও স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

‘হত্যাচেষ্টার’ শিকারদের খোঁজ মেলেনি, শেখ হাসিনা ও জয়সহ ১১৩ আসামির অব্যাহতি চায় পিবিআই

দ্বৈত নাগরিকত্ব: চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াত প্রার্থীর আপিল নামঞ্জুর

মানবতাবিরোধী অপরাধ: আনিসুল-সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

গণভোটের সচেতনতায় দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি শুরু সরকারের

ইসরায়েল সমর্থিত ‘সোমালিল্যান্ড’কে প্রত্যাখ্যান করল বাংলাদেশ

প্রার্থীদের তিন ভাগের এক ভাগ তরুণ-যুবা

পোস্টাল ভোট: উড়ে আসা ভোটও হতে পারে কিছু আসনের ফল নির্ধারক

সুপারিশের এক বছর পরও হয়নি স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস