ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিনিধিদের উপস্থিতি কম থাকার বিষয়ে এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তা কীভাবে বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে জানতে চেয়েছেন জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন। আজ রোববার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
ইসি সচিব বলেন, যে নির্বাচন হয়ে গেল তার অভিজ্ঞতার আলোকে নির্বাচন পরবর্তী পর্যবেক্ষণ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন ইউএন উইমেন প্রতিনিধিরা। নির্বাচনে নারী প্রতিনিধিদের উপস্থিতি কম থাকার বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। কীভাবে বাড়ানো যায় সেটা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি ৭ জন নারী সংসদ সদস্য আছেন। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী আরও ছিল। এখন তাদেরতো নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসতে হবে।’
সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘আমরা জানিয়েছি যে ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে সংরক্ষিত ৫০ জনসহ মোট ৩৫৭ জন আছে। স্থানীয় নির্বাচনে এটা আরও বাড়বে।’
ভোটার সংখ্যার মধ্যে নারী-পুরুষের পার্থক্য কমিয়ে আনার বিষয় উল্লেখ করে ইসি সচিব আরও বলেন, ‘ভোটার তালিকায় নারী-পুরুষের গ্যাপ ৩ মিলিয়ন ছিল। সেটি কমিয়ে ১ দশমিক ৮ মিলিয়নে আনা হয়েছে। এটা আরও কমানোর জন্য চেষ্টা করছি। এ ছাড়া এবারের নির্বাচনে কোনো সহিংসতা হয়নি, কারও ভোট বাক্স ছিনতাই হয়নি বলে জানিয়েছি।’
এ সময় ইউএন উইমেনের পক্ষ থেকে কোনো পরামর্শ ছিল কি না, এমন এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘তারা (ইউএন উইমেন) আমাদের সঙ্গে কাজ করছেন। সেটা অব্যাহত রাখবেন বলে জানিয়েছেন।’
বৈঠকে ইসির পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
ইউএন উইমেনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন–অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল এবং ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ন্যারাদজাই গুম্বনজভান্দা, রিজিওনাল ডিরেক্টর ক্রিস্টিন আরব, রিপ্রেজেনটেটিভ (প্রতিনিধি) গীতাঞ্জলি সিং, ডেপুটি রিপ্রেজেনটেটিভ নবনীতা সিনহা ও ইউনিট ম্যানেজার তপাটি সাহা।