হোম > জীবনধারা > ভ্রমণ

পথের নাম মৃত্যুর সড়ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আন্দিজ পর্বতমালা ছুঁয়ে সাপের মতো এঁকেবেঁকে চলে গেছে পিচঢালা পথ। পাহাড়ের শরীর খুঁড়েই তৈরি করা হয়েছিল এ পথ। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজের সঙ্গে আমাজন বনভূমিকে যুক্ত করেছে এই পথ। বিপজ্জনক পাহাড়ি বাঁক, পাহাড় ধস ইত্যাদি কারণে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ এ সড়ক একসময় ছিল ভীষণ ব্যস্ত, চলত শত শত যানবাহন। এসব কারণেই সড়কটি পারাপারের সময় ঘটে অসংখ্য বীভৎস দুর্ঘটনা। এ কারণে স্থানীয় লোকজনের কাছে এটি ডেথ রোড বা ‘মৃত্যুর সড়ক’ নামে পরিচিতি পায়। ১৯৯৯ থেকে ২০০৩ 
সাল পর্যন্ত এ সড়কে শতাধিক মানুষ প্রাণ হারান। ফলে বলিভিয়ার সরকার সড়কটির ওপর চলাচল নিষিদ্ধ করে। ২০০৭ সাল নাগাদ আমাজন জঙ্গলে যাওয়ার বিকল্প পথ চালু করে বলিভিয়া। চলাচল বন্ধের পর ডেথ রোডে গড়ে উঠেছে বন, কমেছে বিভিন্ন ধরনের দূষণ। ফলে সেখানে ঘটেছে জীববৈচিত্র্যের সমারোহ। বর্তমানে সেখানে গাড়ি চলাচল না থাকলেও ঘুরতে, হাইকিং আর সাইক্লিং করতে যান ভ্রমণপিয়াসীরা।

অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয়দের ভ্রমণতালিকায় থাকতে পারে ডেথ রোড বা মৃত্যুর সড়কের নাম। 

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি যেভাবে প্রভাব ফেলছে বিশ্ব পর্যটনে

এশিয়ায় নির্ভয়ে ঘোরার নতুন ঠিকানা জাপান

২৭ বছর হেঁটে পৃথিবী ভ্রমণ

হাকালুকির হিজল বনে

বাংলাদেশের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হাবিপ্রবির নেপালি শিক্ষার্থীরা

তেত উৎসবে ঘুরে আসুন ভিয়েতনামে

মাসে ৪০০ ডলারে বিশ্বভ্রমণ

বিমানযাত্রায় নিষিদ্ধ ৫টি কাজ

বাস, ট্রেন নাকি ট্যাক্সি, যেভাবে ঘুরে দেখবেন সিউল

ইউরোপে বদলে যাচ্ছে ‘গোল্ডেন ভিসা’র নিয়ম