হোম > জীবনধারা > জেনে নিন

অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া কমানোর ৫ উপায় জেনে নিন

ফিচার ডেস্ক, ঢাকা 

ঘেমে যাওয়াটা সমস্যা নয়। তবে অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়াটা অনেক সময় স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণ হতে পারে। প্রতীকী ছবি: ফ্রিপিক
আমাদের মধ্যে অনেকে অতিরিক্ত ঘামেন বিভিন্ন কারণে। এই অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া কমানোর ৫ উপায় জেনে নিন এখানে। মনে রাখতে হবে, ঘেমে যাওয়াটা সমস্যা নয়। তবে অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়াটা অনেক সময় স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এ ছাড়া বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে রেহাই পেতে অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার প্রবণতা কমানোর কয়েকটি উপায় মেনে চলতে পারেন।

কপাল থেকে ফোঁটা ফোঁটা ঘাম ঝরে পড়া থেকে হাতের তালু ঘেমে যাওয়া এবং আন্ডারআর্মে ঘামের স্রোত। আমাদের শরীরের যেকোনো জায়গায় ঘাম হতে পারে। ঘাম যতই বিব্রতকর এবং অসুবিধাজনক হোক না কেন, এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঘাম থার্মোরেগুলেশন নামক একটি প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে, যা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি ত্বক আর্দ্র রাখতে এবং শরীরের তরল ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সহায়ক।

কিন্তু যদি মনে হয় যে আপনি খুব বেশি ঘামছেন, তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে রেহাই পেতে অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার প্রবণতা কমানোর কয়েকটি উপায় মেনে চলতে পারেন।

অ্যান্টিপারসপিরেন্ট ব্যবহার করুন

যদি আপনার আন্ডারআর্মে অতিরিক্ত ঘাম ঝরে, তবে একটি ভালো মানের অ্যান্টিপারসপিরেন্ট ব্যবহার করছেন—শুধু ডিওডোরেন্ট নয়। এ দুটোর মধ্য়ে পার্থক্য রয়েছে। ডিওডোরেন্ট দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। এতে সাধারণত বেকিং সোডা, অ্যালকোহল এবং সুগন্ধি উপাদান থাকে। অন্যদিকে, অ্যান্টিপারসপিরেন্ট আপনার ঘাম গ্রন্থিগুলোকে বন্ধ করে দিয়ে ঘামকে উৎসস্থলেই থামিয়ে দেয়। এটি সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম লবণ দিয়ে তৈরি হয়। তবে প্রতিদিন অ্যান্টিপারসপিরেন্ট ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ মিটিং, ইন্টারভিউ বা বিশেষ দিনে এটি ব্যবহার করতে পারেন।

হালকা ও বাতাস চলাচল করে এমন পোশাক পরুন

আপনি কোন ধরনের কাপড় পরছেন, তা অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার পেছনে বড় কারণ হয়ে উঠতে পারে। এ সময়ে সিনথেটিক কাপড় পরা থেকে বিরত থাকা উচিত। এগুলো ত্বক থেকে ঘাম শুষে নিতে পারে না। এর পরিবর্তে সুতি কাপড় বেছে নিন। এগুলোর ভেতর অনেক বেশি বাতাস চলাচল করতে পারে। ফলে শরীর ঠান্ডা থাকে।

খাদ্যাভ্যাসে বদল আনুন

কিছু নির্দিষ্ট খাবার আমাদের শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং অতিরিক্ত ঘাম উৎপন্ন করে। চর্বি বেশি এবং আঁশ কম, এমন খাদ্যাভ্যাস হজমপ্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তোলে। ফলে শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে যায়।

তাই অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত, ঝাল, মিষ্টি ও লবণাক্ত খাবার, ক্যাফেইন ইত্যাদি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। তাহলে এবার প্রশ্ন আসতে পারে, ঘেমে যাওয়ার প্রবণতা কমাতে চাইলে কী খাওয়া উচিত? উত্তর হলো, শরীর আর্দ্র রাখে এমন খাবার এবং ক্যালসিয়াম গ্রহণের পরিমাণ বাড়ালে সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত থাকবে। সবুজ শাকসবজি, কলা, আঙুর, তরমুজ, টক দই, পনির ইত্যাদি খাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

শরীর আর্দ্র রাখুন

পর্যাপ্ত পানি পান করলে আপনার ঘাম হওয়া বন্ধ হবে না। তবে এটি অতিরিক্ত ঘাম হওয়া থেকে বাঁচাতে পারে। এর কারণ হলো, শরীর আর্দ্র রাখলে শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা কমে। তা ছাড়া ঘামের কারণে শরীর থেকে যে পরিমাণ পানি বেরিয়ে যায়, পর্যাপ্ত পানি পান করলে সেই ঘাটতি পূরণ হয়।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান

যদি এই পরিবর্তনগুলোতে কাজ না হয়, তবে বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন। যদি হাইপারহাইড্রোসিস থাকে, তাহলেও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে। এটি এমন একটি শারীরিক অবস্থা, যেখানে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ঘাম হয়। এই অবস্থার চিকিৎসা নির্ভর করে শরীরের কোন অংশে বেশি ঘাম উৎপন্ন হচ্ছে তার ওপর। ঘামের উৎপত্তিস্থল ও ধরনভেদে মুখে খাওয়ার ওষুধ, ইনজেকশন, সার্জারিসহ নানা ধরনের সমাধানের কথা বিশেষজ্ঞ বলতে পারেন।

সূত্র: ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক ও অন্যান্য

ছবি: পেক্সেলস

শিশুর হাতে স্মার্টফোন, আদর নাকি বিপদ

আজকের রাশিফল: যাকে বেস্ট ফ্রেন্ড ভাবছেন, সে স্ক্রিনশট নেওয়ার অপেক্ষায় আছে

ঈর্ষা: সম্পর্কের এক অদৃশ্য দেয়াল এবং তা কাটিয়ে ওঠার উপায়

তপ্ত গরমে লম্বা চুলের সুরক্ষা ও স্টাইলের গাইডলাইন

নিজেকে ভালোবাসার এই ১০ সূত্র জানেন তো

আজকের রাশিফল: মাল্টি-টাস্কিং করতে গিয়ে মাল্টি-গোলমাল বাধাবেন

প্রত্যাখ্যানে ব্যথিত, নাকি আপনি ‘আরএসডি’র শিকার

ভালো ঘুমের জন্য যা খাবেন

ঝগড়ার ধরন বুঝে উত্তর দিন

যেসব কথা অভিভাবকেরা কখনোই স্বীকার করতে চান না