হোম > ইসলাম

যেসব নিয়ম মেনে জিয়ারত করবেন নবীজির পবিত্র রওজা

ইসলাম ডেস্ক 

মহানবী (সা.)-এর রওজা জিয়ারত করা এবং সরাসরি তাঁকে সালাম জানানো নিঃসন্দেহে সৌভাগ্যের ব্যাপার। তবে এর জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু শিষ্টাচার ও আদব। এখানে কয়েকটি তুলে ধরা হলো—

১. জিয়ারতকারী পবিত্র শরীরে পবিত্র কাপড় পরিধান করে যাবে।

২. জিয়ারতের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর থেকেই বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে থাকবে। আল্লাহর কাছে দোয়া করবে—যেন সে জিয়ারতের মাধ্যমে উপকৃত হয়।

৩. রওজায় প্রবেশের আগেই মন থেকে জাগতিক সব চিন্তাভাবনা দূর করে দেবে এবং রাসুল (সা.)-এর ভালোবাসায় অন্তর পূর্ণ করে নেবে।

৪. নবী (সা.)-এর প্রতি পূর্ণ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিয়ে রওজায় প্রবেশ করবে।

৫. সেখানে এমন কোনো আচরণ যেন প্রকাশ না পায়—যা নবী (সা.)-এর মর্যাদা পরিপন্থী।

৬. নবী (সা.)-কে অনুচ্চ আওয়াজে সালাম দেবে। কোনোভাবেই আওয়াজ উঁচু করবে না।

৭. রওজার দিকে ফিরে দাঁড়াবে, তবে সামান্য দূরত্ব বজায় রাখবে।

৮. অন্তর মহানবী (সা.)-এর চিন্তা ও ভালোবাসায় বিভোর রাখবে।

৯. যে কক্ষে নবী (সা.) শুয়ে আছেন, সেটি এবং তার মিম্বার ইত্যাদি স্পর্শ করা, তাতে চুমু খাওয়া ও তাওয়াফ করা থেকে বিরত থাকবে।

১০. আল্লাহর কাছে যেভাবে কোনো কিছু চাওয়া হয়, সেভাবে নবী (সা.)-এর কাছে চাইবে না। কোনো চাওয়ার থাকলে মহান আল্লাহর কাছেই চাইবে। দোয়া করার সময় কিবলামুখী হয়ে দোয়া করবে।

১১. রওজা শরিফে দীর্ঘ সময় অবস্থান করা, সেখানে ভিড় করে থাকা এবং ধাক্কাধাক্কি করা—নবী (সা.)-এর মর্যাদা পরিপন্থী। যতক্ষণ অবস্থান করবে প্রশান্তির সঙ্গে অবস্থান করবে।

১২. ফেরার সময়ও দরুদ পাঠ করতে থাকবে।

১৩. সম্ভব হলে রিয়াজুল জান্নাতে দুই রাকাত নামাজ আদায় করবে।

সূত্র: আল-ইজাহ ফি মানাসিকিল হাজ্জি ওয়াল ওমরাহ: পৃ. ৪৪৬-৪৫০।

সম্মাননা পাগড়ি পাচ্ছেন ১৩০০ হাফেজ আলেম ও মুফতি

জুমার দিন আগে আগে মসজিদে গেলে যে সওয়াব

ইনসাফ—রাজনৈতিক নৈতিকতার মেরুদণ্ড

ইসলামের বিজয়যাত্রায় নারীদের নীরব বীরত্ব

ফরজ গোসলে যেসব বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন

উসমানীয় স্থাপত্যের বিস্ময় তুরস্কের দুই ঐতিহাসিক মসজিদ

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০২ জানুয়ারি ২০২৬

কোরআনের ক্লাসেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন শিক্ষক

মুমিনের ভাবনায় নতুন বছর

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০১ জানুয়ারি ২০২৬