হোম > ইসলাম

সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখা সুন্নত

মুফতি আবু দারদা

রোজা ইসলামের অন্যতম ইবাদত। রমজান মাসে রোজা রাখা ফরজ; বছরের বাকি সময়েও নফল রোজার কথা হাদিসে এসেছে। নফল রোজার ফজিলত অনেক। সপ্তাহের দুইটি বিশেষ দিনে নফল রোজা রাখার কথা হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। তা হলো, সোম ও বৃহস্পতিবার। যাদের সুযোগ ও সামর্থ্য আছে, তাদের জন্য সপ্তাহে এই দুটি রোজা রাখা অশেষ সওয়াবের মাধ্যম।

সপ্তাহের এই দুটি রোজা কেন রাখা হয়, তার বিভিন্ন কারণ হাদিসের মাধ্যমে জানা যায়। এক হাদিসে এসেছে, হজরত আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (সা.)-কে সোমবারে রোজা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি এর উত্তরে বলেছিলেন, ‘এই দিনে আমার জন্ম হয়েছে এবং এই দিনেই আমাকে নবুওয়ত দেওয়া হয়েছে বা আমার ওপর কোরআন নাজিল শুরু হয়েছে।’ (মুসলিম: ১১৬২)

অন্য হাদিসে সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার কথা এসেছে। এর কারণও মহানবী (সা.) ব্যাখ্যা করেছেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘ (প্রতি সপ্তাহের) সোম ও বৃহস্পতিবার বান্দার আমল আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয়ে থাকে। কাজেই আমি রোজাদার অবস্থায় আমার আমলগুলো আল্লাহর দরবারে পেশ করা হোক—এমনটি পছন্দ করছি।’ (তিরমিজি: ৭৪৭)

আরেক হাদিসে এসেছে, হজরত আয়েশা (রা.) বলেছেন, নবী (সা.) সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা পালনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করতেন। (নাসায়ি: ২৩৬০; তিরমিজি: ৭৪৫) 

লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক

বেফাক পরীক্ষা: কওমি মাদ্রাসার বছর শেষের উৎসবমুখর পড়াশোনা

সাহাবিদের অনন্য ৮ গুণ

রোগব্যাধি ও বিপদ-আপদে মুমিনের করণীয়

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬

গিবতের ভয়াবহ ৬ কুফল

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১২ জানুয়ারি ২০২৬

নফল ইবাদতের গুরুত্ব ও ফজিলত

প্রবাসীদের নিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিন্নধর্মী আয়োজন

তওবা: মুমিনের নবজাগরণের পথ

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১১ জানুয়ারি ২০২৬