হোম > ইসলাম

আজওয়া খেজুরে রোগমুক্তি

ইসলাম ডেস্ক

খেজুরের মধ্যে মদিনার আজওয়া খেজুরের খ্যাতি পৃথিবীজোড়া। জামের মতো কালো রঙের আবরণে মোড়া ছোট আকারের এই খেজুর সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। এটা ছিল মহানবী (সা.)-এর অন্যতম প্রিয় ফল। হাদিসে আজওয়াকে ‘জান্নাতের ফল’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এই ফলে অনেক জটিল রোগের প্রতিষেধক রয়েছে মর্মেও হাদিস বর্ণিত হয়েছে।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আজওয়া জান্নাতের ফল, এতে বিষক্রিয়ার প্রতিষেধক রয়েছে...।’ (তিরমিজি: ২০৬৬)

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেন, ‘মদিনার উঁচু ভূমির আজওয়া খেজুরে আরোগ্য রয়েছে।’ অথবা তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন সকালে এই খেজুর আহার করা বিষনাশক (প্রতিষেধক)।’ (মুসলিম: ৫১৬৮)

হজরত সাদ (রা.) বর্ণনা করেন, একবার আমি অসুস্থ হলে রাসুল (সা.) আমাকে দেখতে আসেন। এ সময় তিনি তাঁর হাত আমার বুকের ওপর রাখেন। আমি তাঁর শীতলতা আমার হৃদয়ে অনুভব করি। এরপর তিনি বলেন, ‘তুমি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত। কাজেই তুমি সাকিফ গোত্রের অধিবাসী হারিসা ইবনে কালদার কাছে যাও। কেননা, সে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক। আর সে যেন মদিনার আজওয়া খেজুরের সাতটা খেজুর নিয়ে বিচিসহ চূর্ণ করে তা দিয়ে তোমার জন্য সাতটি বড়ি তৈরি করে দেয়।’ (আবু দাউদ: ৩৮৩৫)

হজরত আলি (রা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সাতটি আজওয়া খেজুর প্রতিদিন আহার করে, তার পাকস্থলীর প্রতিটি রোগ নির্মূল হয়ে যায়।’ (কানজুল উম্মাল: ২৮৪৭২)

কোরআনে যে ৬ ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত বলা হয়েছে

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৮ আগস্ট ২০২৬

দান-সদকা যেভাবে জান্নাতের পথ সুগম করে

আখেরি চাহার সোম্বা কী, কেন পালন করা হয়

৯৫০ বছরের পুরোনো মেনুচিহর মসজিদ

কোরআন তিলাওয়াতের নিয়ম ও আদব

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৭ আগস্ট ২০২৬

১৭ খণ্ডের আরবি গ্রন্থ লিখে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি আলেম

ঘরে পরিবার নিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করবেন যেভাবে

মৃত্যুর পরও যে ৩ আমলের সওয়াব সচল থাকে