হোম > ইসলাম

কালো জাদু থেকে বাঁচার ৩ আমল

ইসলাম ডেস্ক 

প্রতীকী ছবি

কালো জাদু এক রহস্যময় ও বিতর্কিত বিদ্যা। এর মাধ্যমে মানুষ অপশক্তি ব্যবহার করে অন্যের ক্ষতি বা নিজের স্বার্থসিদ্ধি করতে চায়। শয়তান মানুষকে যতভাবে পথভ্রষ্ট করে—এর মধ্যে অন্যতম জাদুবিদ্যা। ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে একে হারাম ও পাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ জন্য কালো জাদু সর্বদা হারাম।

নবী করিম (সা.) বলেন, তোমরা ৭টি ধ্বংসকারী বস্তু থেকে বেঁচে থাক—১. আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা। ২. জাদু। ৩. যথার্থ কারণ ছাড়া কাউকে হত্যা করা, যা আল্লাহ হারাম করেছেন। ৪. সুদ খাওয়া। ৫. এতিমের মাল ভক্ষণ করা। ৬. লড়াইয়ের ময়দান থেকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করা। ৭. সাধ্বী বিশ্বাসী সরলমনা রমনাদের প্রতি অপবাদ আরোপ করা। (সহিহ্ বুখারি: ২৮৬৪)

নিচের আমলগুলো করলে আল্লাহ তাআলা কালো জাদু থেকে নিরাপদ রাখতে পারেন—

১. আমাদের প্রিয় নবী (সা.)-কেও কালো জাদু করা হয়েছিল। তখন জিবরাইল (আ.) তাঁকে এই দোয়া পড়ে ফুঁ দিয়েছিলেন, ‘বিসমিল্লাহি আরকিক মিন কুল্লি শাইয়িন য়ুজিক। ওয়া মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও আইনিন হাসিদিন, আল্লাহু ইয়াশফিক। বিসমিল্লাহি আরকিক।’ অর্থ: ‘আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি—সব কষ্টদায়ক বিষয় থেকে, প্রত্যেক আত্মা ও ঈর্ষাপরায়ণ চক্ষুর অনিষ্ট থেকে আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য করুন। আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি। (সহিহ্ মুসলিম: ২১৮৬)

২. কালো জাদুর শিকার হলে সুরা ফালাক ও নাস এ ক্ষেত্রে অনেক বেশি উপকারী। সকাল-সন্ধ্যা সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস প্রতিটি তিনবার করে পড়ার পরামর্শ দেন আলিমগণ।

৩. সুরা ফাতেহার অপর নাম—সুরা শিফা। অর্থাৎ আরোগ্য লাভের সুরা। কালো জাদুর কবল থেকে মুক্ত থাকতে এই সুরাটিও নিয়মিত পাঠ করা যেতে পারে।

এসব দোয়া ও আমলের পাশাপাশি আল্লাহ তাআলার কাছে বেশি বেশি দোয়া করা উচিত—তিনি যেন কালো জাদু থেকে নিরাপদ রাখেন।

অন্যকে ক্ষমা করলে আল্লাহ যে প্রতিদান দেবেন

ইবনে হাজার আসকালানি: হাদিসশাস্ত্রের অবিসংবাদিত নক্ষত্র

যে সাহাবিকে নিজের সন্তানের মর্যাদা দিয়েছিলেন নবীজি

স্বপ্নদোষ হলে কি রোজা ভেঙে যায়?

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৪ মার্চ ২০২৬

৯৯টি কবিরা গুনাহের তালিকা ও বাঁচার উপায়

আশরাফ আলী থানভি: আধ্যাত্মিক জাগরণের কালজয়ী মনীষী

রোজা অবস্থায় চোখ, কান ও নাকে ড্রপ দেওয়া যাবে কি?

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৩ মার্চ ২০২৬

কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ৮ দোয়া