হোম > ইসলাম

গিবতের ভয়াবহ ৬ কুফল

শারমিন নাহার ঝর্ণা

প্রতীকী ছবি

গিবত অর্থ পরনিন্দা, দোষচর্চা বা কুৎসা রটনা করা। বর্তমান সমাজে গিবত একটি ভয়াবহ ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। আড্ডা, বিনোদন কিংবা সামান্য রাগের বশে আমরা অন্যের অনুপস্থিতিতে এমন অনেক কথা বলে ফেলি, যা তার সামনে বললে সে কষ্ট পেত। ইসলামের পরিভাষায় অন্যের পেছনে এমন সমালোচনা করাই হলো গিবত।

গিবতের ভয়াবহতা

পবিত্র কোরআনে গিবত সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা একে অন্যের গিবত কোরো না। তোমাদের মধ্যে কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে? নিশ্চয়ই তোমরা তা ঘৃণা করবে। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবা কবুলকারী ও পরম দয়ালু।’ (সুরা হুজুরাত: ১২)

রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘মিরাজের রাতে আমি এমন এক সম্প্রদায়ের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, যাদের নখগুলো তামার তৈরি। তারা তা দিয়ে অনবরত নিজেদের মুখমণ্ডল ও বুকে আঁচড় কাটছিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘‘হে জিবরাইল, তারা কারা?’’ তিনি বললেন, ‘‘তারা সেসব লোক, যারা মানুষের গোশত খেত (গিবত করত) এবং মানুষের মান-সম্মান ও ইজ্জতের ওপর আঘাত হানত।’’’ (সুনানে আবু দাউদ: ৪৮৭৮)

গিবত ও অপবাদের পার্থক্য

একবার রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, ‘হে আল্লাহর রাসুল, গিবত কী?’ তিনি বললেন, ‘তোমার ভাই সম্পর্কে তোমার এমন কিছু বলা, যা সে অপছন্দ করে।’ প্রশ্ন করা হলো, ‘যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে সেই দোষটি সত্যিই থেকে থাকে?’ তিনি বললেন, ‘তুমি যা বলছ, তা যদি তার মধ্যে থাকে, তবেই তুমি গিবত করলে; আর যদি তার মধ্যে তা না থাকে, তাহলে তো তুমি তাকে অপবাদ দিলে।’ (সুনানে আবু দাউদ: ৪৮৭৪)

গিবতের প্রধান কয়েকটি ক্ষতিকর দিক হলো: ১. গিবতকারীর নেক আমল সেই ব্যক্তির আমলনামায় চলে যায়, যার গিবত করা হয়েছে। ২. কবরে কঠিন শাস্তির অন্যতম কারণ। ৩. তওবা ছাড়া মৃত্যুবরণ করলে জাহান্নামের আগুনে পুড়তে হবে। ৪. জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। ৫. পুলসিরাতে আটকে যাবে। ৬. যে মজলিসে গিবত হয়, সেখানে উপস্থিত থাকা বা তা শোনাও অপরাধ।

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১২ জানুয়ারি ২০২৬

নফল ইবাদতের গুরুত্ব ও ফজিলত

প্রবাসীদের নিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিন্নধর্মী আয়োজন

তওবা: মুমিনের নবজাগরণের পথ

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১১ জানুয়ারি ২০২৬

পণ্য মজুতদারি ও সিন্ডিকেট: ইসলামের সতর্কবার্তা

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১০ জানুয়ারি ২০২৬

জুমার দিন সুরা কাহাফ পাঠ করলে যে সওয়াব

দোয়া কবুলের অন্যতম মাধ্যম দরুদ পাঠ

শিশুদের খেলার সঙ্গী হতেন নবীজি (সা.)