হোম > অপরাধ > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

নারীর হৃৎপিণ্ড রান্না করে খেতে দেন পরিবারকে, এরপর ২ জনকে হত্যা

জেল থেকে ছাড়া পেয়ে এক নারীকে হত্যা করেন মার্কিন নাগরিক লরেন্স পল অ্যান্ডারসন (৪৪)। এরপর তাঁর হৃৎপিণ্ড নিয়ে বাড়ি গিয়ে আলু দিয়ে রান্না করেন। পরিবারকে সেটি খেতে দেন। এরপর সেখানে শিশুসহ দুজনকে হত্যা করেন।

ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যের। এ অপরাধে লরেন্স পলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেল থেকে আগাম মুক্তি পাওয়ার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে লরেন্স পল ২০২১ সালে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান।

মুক্তি পাওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরে তিনি আন্দ্রেয়া ব্ল্যাঙ্কেনশিপ নামের ওই নারীকে হত্যা করে হৃৎপিণ্ড নিয়ে নিজের খালা-খালুর বাসায় যান। সেখানে তিনি সেই হৃৎপিণ্ড আলু দিয়ে রান্না করে তাঁদের খেতে দেন। এরপর তাঁর খালু ৬৭ বছর বয়সী লিওন পাই এবং তাঁর চার বছরের নাতনি কাইওস ইয়েটসকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন। এ তথ্য জানিয়েছে এবিসি নিউজ।

এর আগে মাদক মামলায় অ্যান্ডারসনের ২০ বছর সাজা হয়েছিল। তিনি এর মধ্য তিন বছর সাজা ভোগ করেছিলেন। এরপর ওকলাহোমার গভর্নর কেভিন স্টিটের দণ্ড লঘুকরণের তালিকায় তিনি স্থান পান। তবে পরে একটি তদন্তে দেখা গেছে, ভুলবশত দণ্ড লঘুকরণের তালিকায় লরেন্স পলের নাম উঠেছিল।

হত্যা, হামলা ও অঙ্গচ্ছেদের দায় স্বীকার করার পর অ্যান্ডারসনকে পাঁচটি ধারায় পাঁচটিতেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া হামলায় আহত অ্যান্ডারসনের খালা এবং অন্য ভুক্তভোগীদের পরিবার ওকলাহোমার গভর্নর এবং জেল প্যারোল বোর্ডের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

গোপন তথ্যে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন পাচারের গোমর ফাঁস

পাইলটের উদ্ধার ‘ঈশ্বরের অলৌকিক ঘটনা’ বলে এবার খ্রিষ্টানদের তোপের মুখে ট্রাম্প

আমরা পুরো ইরান উড়িয়ে দিতে যাচ্ছি: ট্রাম্প

ট্রাম্পের মুখে আল্লাহর নাম, তবে ক্ষুব্ধ কেন মুসলিমরা

প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছিল শত্রুরা—যেভাবে উদ্ধার হলেন নিখোঁজ মার্কিন ক্রু

এপস্টেইন নথিতে নাম থাকার ব্যাখ্যা দিলেন জিজি হাদিদ

ইরানের বিক্ষোভকারীদের অস্ত্র পাঠিয়েছিলাম, কুর্দিরা মেরে দিয়েছে: ট্রাম্প

সোমবার ইরানের শেষ সুযোগ, মঙ্গলবার পাওয়ার প্ল্যান্ট গুঁড়িয়ে দেবেন ট্রাম্প

‘ইলন মাস্কের হাত থেকে বাঁচাতে’ কিশোরী কন্যাকে হত্যা করলেন মা

কুখ্যাত আলকাতরাজ কারাগার ফের চালুর পরিকল্পনা ট্রাম্পের, চান দেড় শ মিলিয়ন ডলার